জয়িতা প্যাভেলিয়নে রকমারি পণ্য

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:৩৯

নারী উদ্যোক্তাদের প্রতীকী নাম ‘জয়িতা’। সারাদেশের সংগ্রামী নারীদের আত্মপ্রত্যয়ী করে তুলছে প্রতিষ্ঠানটি। জয়িতার সহযোগিতা নিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সংগ্রামী নারীরাও নিজেই জীবনের হাল ধরেছেন, সফল হয়েছেন। এরই প্রতিফলন দেখা মিলবে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার জয়িতা প্যাভিলিয়নে। গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারো মেলায় অংশগ্রহণ করেছে নারী উদ্যোক্তারা। নারীর ছোট ছোট ব্যবসার উদ্যোগে সমর্থন এবং সহায়তা দেওয়ার জন্য সারা দেশের বেশকিছু নারী উদ্যোক্তা এক ছাদের নিচে হাতে তৈরি নানা পণ্যের পসরা সাজিয়েছেন। সফল নারীদের ২৯টি স্টলে শোভা পাচ্ছে হরেক রকমের পোশাক। মসলিন, সুতি কাপড়ের ওপর নকশা আঁকা শাড়ি, থ্রি-পিস ক্রেতাদের নজর কাড়ছে। দাম ও মানে অনন্য জয়িতার পণ্য। আচার, চকলেট, পিঠাসহ বিভিন্ন খাবার আইটেমও পাওয়া যাচ্ছে জয়িতা প্যাভিলিয়নে। বিক্রেতারা জানান, ৭’শ  টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার ৭০০ টাকা মূল্যের কাপড় পাওয়া যাচ্ছে এ প্যাভিলিয়নে।

সালোয়ার-কামিজ, শাড়ির পাশাপাশি ঘর সাজানোর নানা জিনিসপত্রের স্টলে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। পণ্যের মান ও দাম নিয়ে যেমন ক্রেতাদের কোনো অভিযোগ নেই তেমনই মেলার শুরুতেই ভালো সাড়া পেয়ে খুশি বিক্রেতারা।

জয়িতার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখা যায়, নকশা করা নিপুণ ডিজাইনের সালোয়ার-কামিজ, শাড়ি কিংবা নিখুঁত বুননে তৈরি নকশিকাঁথাই শুধু নয় বিছানার চাদর, সোফার কুশন, টেবিল মেট থেকে শুরু করে ঘরের শোভা বাড়ানোর সব জিনিস মিলছে সেখানে। শুধু পোশাক কিংবা শোপিসই নয় হাতে তৈরি নাম না জানা নানা পিঠাও বিক্রি হচ্ছে মেলায়।

বরিশাল থেকে আসা নারী উদ্যোক্তা আসমা আক্তার বলেন, অভাবের তাড়নায় একসময় তার সংসারে কালো মেঘ নেমে আসে। তিনটি বাচ্চা নিয়ে কিভাবে দিন পার করব, বাচ্চাদের পড়াশোনা এবং দৈনন্দিন জীবনের অন্যান্য খরচ নিয়ে সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকতে হতো। জয়িতার সহযোগিতায় হয়ে উঠেছেন সফল নারী উদ্যোক্তা। এখন আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয় না।

আরেকজন নারী উদ্যোক্তা সাবিনা আক্তার বলেন, জয়িতার সব পণ্য হাতে তৈরি। পণ্যের মান নিয়ে ক্রেতারা যেন প্রশ্ন তুলতে না পারেন, সেদিকে নজর রেখেই পণ্য তৈরি করে উদ্যোক্তারা। মেলায় আমাদের পণ্যে ছাড় দিতে হয় না। কারণ কেউ একবার জয়িতার পণ্য কিনলে, পুনরায় কিনতে আসেন।