ভিজিডি কার্ডে অনিয়ম মামলা

ভুক্তভোগীদের চাল ফেরত দিতে আদালতে অঙ্গীকার ইউপি চেয়ারম্যানের

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২১, ২২:৩০

সামাজিক ঝুঁকিপূর্ণ নারীদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের চাল আত্মসাতের অভিযোগে বাকেরগঞ্জের কবাই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহিরুল হক তালুকদারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে চাল দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন চেয়ারম্যান। আদালতে দেওয়া লিখিত জবাবে তিনি উল্লেখ করেছেন আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ব্যক্তিগত উদ্যোগে অভিযোগকারীদের ভিজিডি কার্ডের পাওনাকৃত চাল বিতরণে তিনি প্রস্তুত রয়েছেন। 

গত বছরের জুলাই মাসে ভুক্তভোগীদের দায়েরকৃত এ মামলায় গত মাসে কবাই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহিরুল হক তালুকদার আদালতে এক মাসের মধ্যে চাল দেওয়ার জন্য সময় চান। ঐ এক মাস সময় শেষ হয়ে গেলে গত বৃহস্পতিবার নির্ধারিত তারিখে বাকেরগঞ্জ সহকারী জজ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত জবাব দিয়েছেন অভিযুক্ত চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে দৈনিক ইত্তেফাকে     গত বছরের ১৫ জুলাই প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর তদন্ত কমিটি গঠন করে। 

আদালত ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সামাজিক ঝুঁকিপূর্ণ নারীদের জন্য বরাদ্দকৃত প্রতি মাসে ৩০ কেজি চালে অর্থ আদায়ের অভিযোগে এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর কর্তৃক ২ হাজার ৫০০ টাকার তালিকা প্রণয়নে অনিয়নের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। মামলার বাদী আমিনা আক্তার জানান, অনেকে টাকা দিয়েও কার্ড পায়নি, আবার অনেকের নাম তালিকায় থাকার পরও চাল পায়নি। অসহায় দরিদ্রদের ঠকিয়ে চেয়ারম্যান বরাদ্দকৃত চাল আত্মসাত্ করেছেন। কবাই ইউনিয়নে সরকারিভাবে ২৪৯ জন নারীর জন্য ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ হলেও চেয়ারম্যান গণহারে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা করে এবং দুই বছরের কর্মসূচি শেষ হলেও এখন পর্যন্ত অনেক অসহায় দুঃস্থ নারী কার্ড পাননি।

চেয়ারম্যান জহিরুল হক তালুকদার জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি লিখিত দিয়েছেন। তাকে একটি চক্র হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এ অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।