কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশে একটি যুগপযোগী বিষয়। যুগের সাথে তাল মিলাতে গিয়ে অধিকাংশ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর প্রথম পছন্দের বিষয় হচ্ছে (সিএসই)। আমাদের দেশে তথ্যপ্রযুক্তির জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পূর্বের তুলনায় এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোয় এ নিয়ে প্রচুর আলোচনা হচ্ছে। বর্তমান যুগটাই কম্পিউটারের যুগ। এ বিভাগের শিক্ষার্থীদের স্নাতক-স্নাতকোত্তর শিক্ষা কার্যক্রম শেষ করে চাকরির জন্য তেমন একটা অপেক্ষা করতে হয় না। তবে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা ও দক্ষতার কারণে অনেক সময় চাকরিই তাকে খুেঁজ বের করে। আর চাকরি করতে না চাইলে ফ্রিল্যান্সিং বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার অনেক সুযোগ রয়েছে।
কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অনেক রাস্তা খোলা রয়েছে। এ বিভাগ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা মূলত দু’ভাগে কাজ করেন। কেউ হন প্রোগ্রামার কেউবা নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর। এ দু’ধরনের শিক্ষার্থীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এছাড়া আঁঁকায় দক্ষতা থাকলে গ্রাফিক্স বা ওয়েব ডিজাইনারও হতে পারেন। পাশাপাশি আছে ফ্রিল্যান্সিং এর সুযোগ।
এ বিষয়ে আগ্রহের কারণ চাকরিতে ভালো বেতন পাওয়া যায়। গুগল, মাইক্রোসফটে যাওয়া যায় আরোও অন্যান্য ভালো ভালো অনেক সুযোগ আছে। উপরে উল্লেখিত কারণে অনেকেই এ (সিএসই) বিষয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী হয়।ভর্তির যোগ্যতা: বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি/সমমান পাশ।
এনআইএসটিতে পড়ার সুবিধা: নিজস্ব ডিজিটাল লার্নিং প্লাটফর্ম, অভিজ্ঞ অধ্যক্ষের নেতৃত্বে যোত্যতা সম্পন্ন শিক্ষক মন্ডলী, সমৃদ্ধ লাইব্রেরী, যাতায়াত ও হোষ্টেল সুবিধা, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য শিক্ষা ঋণ ও বিমা সুবিধা, ব্যবসার জন্য ফান্ড, কর্মসংস্থানের জন্য সহযোগিতা, অত্যাধুনিক ল্যাব ও শীততাপ নিয়ন্ত্রিত মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম এবং আধুনিক প্রযুক্তিগত সুবিধা সমৃদ্ধ ক্যাম্পাস।এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে ০১৮১১৪৫৮৮৬২ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে।উক্ত প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) ছাড়াও ইলেক্ট্রনিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই), প্রাণরসায়ন (বায়োকেমিস্ট্রি) ও বিবিএ (প্রফেশনাল) পড়ার সুযোগ রয়েছে।
