বসুরহাটের রূপালী চত্বরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াতের ওপর হামলার প্রতিবাদে সভা চলাকালীন ককটেল বিস্ফোরণ, গুলিবর্ষণ ও সংঘর্ষের ঘটনায় ওসিসহ ৪০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।
জানা গেছে, সভার শেষ বক্তা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানের বক্তব্য চলাকালীন সভাস্থলের কাছাকাছি এলাকায় হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দ হয়। সাথে সাথে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করে সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা। ধাওয়া, পাল্টাধাওয়ায় পণ্ড হয়ে যায় প্রতিবাদ সভাটি।
এ সময় বসুরহাট বাজারের দোকানপাট ও যানবাহন বন্ধ হয়ে যায়। অনেকে বসুরহাট বাজারে বিভিন্ন মার্কেটে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি থমথমে বিরাজ করছে। বসুরহাট বাজারের ব্যবসায়ীরা রাস্তায় বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

ভাঙচুর করা হয় বঙ্গবন্ধু শতবর্ষ উদযাপন মেলার মঞ্চ, মাইক, চেয়ার । ছবি- ইত্তেফাক
হামলাকারীরা বসুরহাট রূপালী চত্বরের পাশে আলেয়া ম্যানশনের ৩য় তলায় বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ব্যক্তিগত অফিসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছবি, অফিসে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।
এ ছাড়া হামলাকরীরা বঙ্গবন্ধু শতবর্ষ উদযাপন মেলার মঞ্চ, মাইক, চেয়ারও ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে র্যাব-১১, ডিবি পুলিশ, দাঙ্গা পুলিশ পুরো এলাকায় টহল দিচ্ছে।

সমাবেশে বিস্ফোরিত ককটেল। ছবি- ইত্তেফাক
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি জাহেদুল হক রনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাকালে আমাদের ৬ পুলিশসহ ১০ জন আহত হয়।
বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা জানান, সন্ত্রাসীদের হামলায় ৩৫-৪০ জন নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদেরকে বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এসসিএস
