ইত্তেফাক রিপোর্ট
ভোজন রসিকদের কাছে সবজি হিসেবে কচুর একটা আলাদা গুরুত্ব আছে। বিশেষ করে যারা হরেক রকমের সবজি দিয়ে ‘লাবড়া’ খেতে পছন্দ করেন তাদের প্রিয় সবজি ‘কচু’। কারণ, কচু ছাড়া লাবড়া অসম্পূর্ণ। কিন্তু কত রকমের ‘কচু’ আছে আমাদের দেশে। তা কয়জনইবা জানে? আর তাদের নাম?
এসব জানতে একবারের জন্য হলেও যেতে হবে রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ চত্বরে আয়োজিত সবজি মেলায়। ‘নিরাপদ সবজি করব চাষ, পুষ্টি মিলবে বার মাস’ প্রতিপাদ্যে চতুর্থবারের মতো এ মেলার আয়োজন করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। মেলায় কমপক্ষে ২৫ রকমের কচুর বিষয়ে জানতে পারবেন। মৌলভী কচু, সাহেবী কচু, শোলা কচু, বিষ কচু, প্রেম কচু, দুধ কচু, কাজল কচু, গারো কচু, থামা কচু, নারকেলী কচুসহ আরো যে কত রকমের কচু রয়েছে দেশে। শুধু কি কচু, নানা জাতের হরেক রকমের সবজি দিয়ে সাজানো হয়েছে মেলা। এসব সবজির মধ্যে রয়েছে মূলা, শালগম, পেঁপে, লাউ, করলা, পটল, ঝিঙা, ধুন্দল, কাকড়ল, আলু, সিম, বরবটি, ঢেঁড়স ইত্যাদি। সবজি দেখলেও মন জুড়িয়ে যায়।
মেলায় অংশ নেওয়া ধামরাইয়ের কৃষক মো:আব্দুল হাই বলেন, মেলায় অংশ নিয়েছি অনেক আশা নিয়ে। কিন্তু ভোক্তারা ভালো পণ্যের দাম দিতে চাচ্ছে না। তিনি বলেন, আমি নিজে জৈব সার ব্যবহার করে সবজি চাষ করি। ফলন বাড়ানোর জন্য ক্ষতিকর কোনো ওষুধ ব্যবহার করি না। ফলে আমার সবজির উত্পাদন খরচ একটু বেশি পড়ে। ভোক্তারা দাম দিতে না চাইলে কিভাবে ভালো মানের সবজি চাষ করব।
মেলায় অংশ নেওয়া সোসাইটি ফর ডেভেলপমেন্ট ইনিসিয়েটিভস্ (এসডিআই) এর কৃষিবিদ আওলাদ হোসেন বলেন, মেলায় ভোক্তাদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি। তিনি বলেন, আমরা ধামরাই ও সিংরাইয়ে চাষিদের বিষমুক্ত সবজি উত্পাদনে সব রকমের সহযোগিতা করি। শুধু তাই নয়, তাদের উত্পাদিত সবজি বাজারজাতকরণেও আমরা ব্যবস্থা করি।
