এখনও থমথমে বসুরহাট, আতঙ্কে স্থানীয়রা

আপডেট : ১২ মার্চ ২০২১, ১৭:৫৩

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এখনও থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে সেখানে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে পৌর ব্যবসায়ীদের মাঝে কাটেনি আতঙ্ক।

সংঘর্ষের ঘটনায় দ্বিতীয় দিনের মতো বসুরহাট পৌর এলাকাসহ কোম্পানীগঞ্জে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। শুক্রবার (১২ মার্চ) সকালেও বসুরহাট বাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান করতে দেখা গেছে।

ফের কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ও বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এড়াতে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার ছাড়াও চট্টগ্রাম রেঞ্জের একজন এসপি, সার্বক্ষণিক দুজন এএসপি এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া প্রায় ৩০ জন পুলিশ পরিদর্শকের নেতৃত্বে তিন শতাধিক পুলিশ ও ডিবি পুলিশ এবং র‌্যাবের দুটি টিম মোতায়েন রয়েছে।

তবে বসুরহাট পৌরসভা কার্যালয় ঘিরে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা কিছুটা কমেছে বলে জানা যায়। এরপর বসুরহাট পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জা কার্যালয় ছেড়ে নোয়াখালীতে ফিরে যান। 

অপরদিকে বৃস্পতিবার (১১ মার্চ) বিকেলে নোয়াখালী আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়। বাদলকে বসুরহাট পৌর ভবনে হামলা, ভাংচুর ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। শুক্রবার (১২ মার্চ) বাদলের জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞ আদালত। 

মঙ্গলবার সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত আলা উদ্দিনের ভাই ইমদাদ হোসেন রাজু মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, মেয়র পুত্র তাসিক মির্জা এবং ভাই শাহাদাত হোসেনকে আসামি করে ১৬৮ জনের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। 

মামলায় ক্রুটি হওয়ায় পুলিশ সুপার এজাহারটি গ্রহণ করেনি বলে জানা যায়। 

এ ব্যাপারে নোয়াখালী পুলিশ সুপার আলমগীর বলেন, মালমার ক্রটি ও বিচ্যুতি হওয়ায় অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি। মামলার ক্রটি, বিচ্যুতি সঠিক হলে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হবে। 

ইত্তেফাক/এসজেড