বিশ্বজোড়া পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় ঘোরার জায়গা হয়ে উঠেছে স্ট্যাচু অফ ইউনিটি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং নরেন্দ্র মোদিও এই জায়গাটিকে ‘অবশ্য দ্রষ্টব্য স্থান’ বলে বর্ণনা করেছেন।
নিউইয়র্কের স্ট্যাচু অফ লিবার্টির থেকেও জনপ্রিয় হয়ে ভারতের এই সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের এই স্ট্যাচু- ঐক্যের প্রতীক। গুজরাটের কেভাদিয়ায় এই অভিনব মূর্তি ছাড়াও ডায়েট পার্ক, আরোগ্য ভ্যান, তাঁবুতে থাকার সুবিধা, সঙ্গে রিভার র্যাফটিংয়ের মতো অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসের ব্যবস্থা থাকায় বিশ্বজোড়া পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় ঘোরার জায়গা হয়ে উঠেছে স্ট্যাচু অফ ইউনিটি।
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নেতা বল্লভভাই পটেলের স্মৃতির উদ্দেশ্যে ১৮২ মিটার উঁচু মূর্তিটি তৈরি হয় মোদি সরকারের উদ্যোগেই। প্রায় ৬০ তলা বাড়ির মতো উঁচু এই মূর্তিটি বিশ্বের সবথেকে লম্বা ভাস্কর্য। নর্মদা নদীর তীরে সাতপুরা ও বিন্ধ্যাচল পর্বতের মাঝে অবস্থিত এই স্থানের প্রকৃতির সৌন্দর্যেরও কোনও তুলনা নেই।
Statue of Unity crosses 5 million visitors mark in just 553 working days, making it a greatly popular international tourist destination !! @PMOIndia pic.twitter.com/rDFl1MD8CC
— Statue Of Unity (@souindia) March 16, 2021
প্রশাসনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, করোনাকালের আগে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৩ হাজার পর্যটক এই স্ট্যাচু অফ ইউনিটি দেখতে আসতেন। লকডাউনের কারণে ৭ মাস বন্ধ ছিল এই স্ট্যাচুও। তারপর গত বছরের অক্টোবর মাসে ফের খোলে এই পর্যটন স্থলের দরজা। তাতেও বিন্দুমাত্র কমেনি এর আকর্ষণ
স্ট্যাচু অফ ইউনিটির মাত্র ৫৫৩ কার্যদিবসে ৫০ লাখ দর্শনার্থীর পায়ের ছাপ পড়েছে স্ট্যাচু অফ ইউনিটিতে। এটি একটি জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে পরিণত হয়েছে এটি।
ইত্তেফাক/এএইচপি
