সৃজনশীল প্রশ্নোত্তরের জন্য ৭০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০১৯, ১৯:০৪

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

মিরাজুল ইসলাম

প্রভাষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ

 

 

এসএসসি পরীক্ষায় বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নোত্তরের জন্য ৭০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি প্রশ্নের মান ১০। প্রতিটি প্রশ্নে একটি উদ্দীপকের অধীনে জ্ঞানমূলক, অনুধাবনমূলক, প্রয়োগমূলক ও উচ্চতর দক্ষতামূলক চারটি স্তরের প্রশ্ন থাকবে। তোমাদের সৃজনশীল ১১টি প্রশ্নের মধ্যে ৭টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। বহুনির্বাচনি ৩০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের পূর্ণমান ৩০।

প্রথমে উদ্দীপকগুলো ভালোভাবে পড়বে এবং প্রশ্নগুলো বুঝতে চেষ্টা করবে। যে উদ্দীপকটির সব প্রশ্নের উত্তর ভালোভাবে লিখতে পারবে সেটির উত্তর আগে দিবে।

উদ্দীপক ও প্রশ্নগুলো ঠিকভাবে বোঝার ওপরই নির্ভুল উত্তর লেখা নির্ভর করে। প্রতিটি প্রশ্ন অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ে নির্দিষ্ট প্রাসঙ্গিক উত্তর লিখতে হবে।

প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর প্রদানের ক্ষেত্রে একবারই সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। কোনো প্রশ্ন আংশিক লিখে রাখলে অবশেষে সময় সংকুলান হয় না; যা পরীক্ষায় অধিক নম্বর প্রাপ্তিতে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সবগুলো প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হবে। ৩০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য ৩০ মিনিট এবং সাতটি সৃজনশীল প্রশ্ন লেখার জন্য ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট সময় নির্ধারিত থাকবে। প্রতিটি সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তরের মান একই ধরনের হওয়া উচিত।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: এক বাক্যে উত্তর দিবে।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন: বিষয়বস্তু বুঝে সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক উত্তর লিখবে।

প্রয়োগমূলক প্রশ্ন: এ ক্ষেত্রে নিজের অভিজ্ঞতাপ্রসূত উত্তর লিখতে চেষ্টা করবে।

উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্ন: এ ক্ষেত্রে প্রশ্নে চাওয়ার বিষয়টি বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা ও পর্যালোচনা করে নিজের মতো করে উত্তর লিখতে চেষ্টা করবে।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার ক্ষেত্রে ক, খ, গ ও ঘ সিরিয়াল বজায় রেখে উত্তর লেখা উত্তম।

উত্তরপত্রে প্রশ্নের উপস্থাপনা ও স্বচ্ছতার ওপর বেশি নম্বর পাওয়া নির্ভর করে।

প্রয়োগমূলক ও উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্নের উত্তর করার সময় সর্বপ্রথমে প্রশ্নের জানতে চাওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করতে হবে।

যে সকল প্রশ্নে পয়েন্ট আউট করে লেখা যায় সে সকল প্রশ্ন অবশ্যই পয়েন্টভিত্তিক লেখা উচিত।

সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য পাঠ্যবইয়ের অধ্যায়গুলো ভালোভাবে পড়া থাকলে উত্তর করা সহজ হবে। পাঠ্য বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলো দাগিয়ে পড়তে হবে।

পরীক্ষার খাতায় যথার্থ মার্জিন রাখা বাঞ্ছনীয়।

পরীক্ষার খাতায় কালো ও নীল কালির কলম ব্যাতীত অন্য কোনো কালির কলম ব্যবহার করা উচিত নয়।

উত্তর লেখার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিকতার বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে এবং অপ্রাসঙ্গিকতা বর্জন করতে হবে।

প্রশ্নের উত্তর লেখার ক্ষেত্রে যেন সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ না ঘটে সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। শুদ্ধ বানানে উত্তর লিখতে চেষ্টা করতে হবে। উত্তরপত্রে কাটাছেঁড়া কিংবা ওভার রাইটিং যেন না হয় সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে।

বহুনির্বাচনি প্রশ্নে ভালো করতে হলে পাঠ্যবইয়ের প্রতিটি বিষয়বস্তু ভালোভাবে বুঝে পড়তে হবে।

বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তরের ক্ষেত্রে অনুধাবনমূলক, প্রয়োগমূলক ও উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্ন ভালোমত পড়ে বুঝে উত্তর দিতে হবে।