দেশি-বিদেশি ৩০টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে

চিটাগাং আইটি ফেয়ার শুরু

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:০০

মোজাহেদুল ইসলাম ঢেউ

 

গতকাল চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে দ্বিতীয় চিটাগং আইটি ফেয়ার শুরু হয়। ফেয়ারটির উদ্বোধন করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। গতকাল দুপুরে আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে দ্বিতীয় চিটাগং আইটি ফেয়ার উদ্বোধন করেন তিনি।

ফেয়ারে ভারতের দুটি প্রতিষ্ঠানসহ ৩০টি প্রতিষ্ঠানের অর্ধশত স্টল রয়েছে। আগামী সোমবার পর্যন্ত চলবে। দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এই ফেয়ার।

উদ্বোধনকালে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে এ খাতে উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান শিক্ষা উপমন্ত্রী। এসময় তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামে আইটি খাতের প্রসারের জন্য সরকার উদ্যোগী হয়েছে। আইটি পার্ক, ভিলেজ হচ্ছে। আশা করি আইটি সিটি হবে চট্টগ্রাম।’

তিনি বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। খাদ্য উত্পাদক, বাজারজাত করা, খাদ্যপণ্য তৈরি করার বিভিন্ন ধাপের মতো তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও অনুরূপ ধাপ আছে। এক্ষেত্রে উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসতে হবে। বিনিয়োগ করতে হবে।’

 চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা পারিবারিক ঐতিহ্যের ভিত্তিতে ব্যবসা করেন। সময় এসেছে, সচেতন হতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে এগিয়ে আসতে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা দায়িত্ব নেওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছেন। সরকারি দফতরে ই-নথি ফাইল হচ্ছে। অটোমেশন হওয়ায় দুর্নীতি কমেছে। এটি প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতার পরিচয় বলেও জানান ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

অনুষ্ঠানে অন্য বক্তারা জানান, শক্তিশালী আইটি প্লাটফর্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় নতুন নতুন আইসিটি পণ্যের সঙ্গে ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীরা পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি চট্টগ্রাম নগরী পরিদর্শনের পর বন্দর নগরীর কালুরঘাটে বিএফআইডিসি রোড সংলগ্ন সিটি করপোরেশনের জমি হাই-টেক পার্ক নির্মাণের উপযুক্ত বলে ঘোষণা দিয়েছেন টেলি যোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

চট্টগ্রামের সিটি মেয়রসহ বিএফআইডিসি সড়কে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (সিসিসি) মালিকানাধীন ১১ দশমিক পাঁচ একর জমি পরিদর্শনে যান মন্ত্রী। দ্রুততম সময়ের মধ্যে মাটি ভরাটের কাজ শেষ করতে এবং পাশাপাশি সার্ভে করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হাই-টেক পার্ক-১২ এর প্রকল্প পরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এই পার্ক নির্মাণ হলে চট্টগ্রামবাসী উপকৃত হবে  বলে মন্তব্য করেন সিটি মেয়র নাছির। তিনি বলেন,  ‘এই অঞ্চলের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাবে। হবে নতুন নতুন কর্মসংস্থান। ‘পাশাপাশি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং আইসি পণ্য উদ্ভাবন ও রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হবে। রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে হাই-টেক পার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’