ঝিনাইদহে বাদাম চাষে ঝুঁকছে চাষি

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:৫৬

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ জেলায় বাদাম একটি নতুন অর্থকরি ফসলের রূপ পেয়েছে। চাষিরা বাদাম চাষে লাভবান হচ্ছেন।  বাদাম চাষে খরচ কম। এজন্য চাষিরা বাদাম চাষে ঝুঁকছে। প্রতি বছর জেলায় বাদাম চাষের পরিমাণ বাড়ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মহেশপুর উপজেলায় ৪’শ ৯ হেক্টর, কোটচাঁদপুর উপজেলায় ৮ হেক্টর এবং সদর উপজেলা ১১ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ করা হয়েছে। কৃষকরা সাধারণত বি-৩ ও ঢাকা -১ এবং দেশীয় জাতের বাদাম আবাদ করছে। বাজারে বাদামের চাহিদা ভালো। সে সঙ্গে দামও ভালো। চাষে নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে  ফলন ভালো হচ্ছে। 

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের চাষি আব্দুর রশিদ জানান, এ বছর তিনি আড়াই বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছেন। এক বিঘা জমিতে বাদাম চাষে ১২ হাজার টাকা থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়। আর বিঘাতে ৮ থেকে ১০ মণ বাদাম উত্পাদন হয়ে থাকে।  বাজারে এক মণ বাদাম বিক্রি হচ্ছে  সাড়ে ৩ হাজার  থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি বিঘা বাদাম চাষে ২০ হাজার টাকা লাভ থাকে। চাষে সময় কম লাগে। এখন চাষিরা বাণিজ্যিকভাবে চাষ শুরু করেছে।   

বাদাম খাদ্যমানে উত্কৃষ্ট। বাদাম বীজে ৪৮ থেকে ৫০  ভাগ তেল এবং ২২ থেকে ২৯ ভাগ আমিষ রয়েছে। কাঁচা ও ভেজে খাওয়া যায়। এছাড়া চানাচুর, কেক, বিস্কুট, তরকারি, ভর্তা, তেল তৈরিতে বাদাম ব্যবহার হয়ে থাকে। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাদামে রয়েছে নানা গুণ।

  জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জি এম আব্দুর রউফ জানান, বেলে দোআঁশ মাটিতে বাদাম ভালো হয়। বছরে ২-৩ বার চাষ করা যায়। লাভ দেখে চাষি বাদাম চাষে ঝুঁকছে বলে তিনি আরো জানান।