বাণিজ্য বাড়াতে নেপালের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগে গুরুত্ব ব্যবসায়ীদের

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:৫৭

রংপুর অফিস

নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকলেও তা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। বন্ধুপ্রতিম দুটি দেশের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর স্বার্থে সড়ক যোগাযোগে গুরুত্ব দিয়েছেন উভয় দেশের ব্যবসায়ী নেতারা। তারা বলছেন, বাংলাদেশ ও নেপালের সঙ্গে ভারতের ৫৪ কিলোমিটার সড়কপথ দিয়ে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা হলে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সমপ্রসারণে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। গতকাল শনিবার রংপুরে সফররত নেপালের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তারা এসব কথা বলেন। রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র আয়োজনে ওই সভায় নেপালের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশস্থ নেপাল দূতাবাসের মিনিস্টার কাউন্সিলর ধান বাহাদুর অলি। এতে সভাপতিত্ব করেন রংপুর চেম্বারের সভাপতি মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু।

নেপালে শিল্পের কাঁচামাল, রাসায়নিক উপাদান, তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং খাদ্য ও পানীয়সহ বেশকিছু বাংলাদেশি পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। নেপালের গম, আদা, মসলা, ডাল ও অন্যান্য ভেষজ পণ্যের বিশাল বাজার রয়েছে বাংলাদেশে।

ধান বাহাদুর অলি বলেন, বিবিআইএন (বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল আঞ্চলিক যোগাযোগ) পুরোপুরি কার্যকর হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আদলে বিবিআইএনভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অবাধে ব্যবসা-বাণিজ্য সমপ্রসারিত হবে এবং উভয় দেশ এ সুবিধার সুফল ভোগ করবে।

মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু বাংলাদেশ-নেপালের মধ্যে ট্রানজিটের মাধ্যমে কার্গো পরিবহনের পদ্ধতি নির্ধারণ, উভয় দেশের পণ্য আমদানিতে পারস্পরিক শুল্ক সুবিধা দেওয়া, কাকরভিটা-পানি ট্যাংকি-ফুলবাড়ি বাণিজ্যপথ পুরোপুরি চালু, রেল যোগাযোগ স্থাপনে রোহনপুর-সিংবাদ রেলপথ ব্যবহার করে নেপালে পণ্য পরিবহন, ভিসা জটিলতা দূর করাসহ একগুচ্ছ প্রস্তাব দেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রংপুর চেম্বারের সহ-সভাপতি মোজতোবা হোসেন রিপন, ব্যবসায়ী নেতা মগরব আলী, শাহ মো. এনামুর রহমান প্রধান, ময়েন উদ্দিন, হুমায়ুন কবির সওদাগর, সোরওয়ার জাহান মানিক প্রমুখ।