মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন মুজিববর্ষে কেউ গৃহহীন থাকবে না। কিন্তু ঘর পাচ্ছে কারা সেই খবর রাখে কে? পরিদর্শকরাও সুষ্ঠুভাবে পরিদর্শন করছেন বলে মনে হয় না। অনিয়ম নিয়ে মুখ খুলছে না কেউ। ইউনিয়ন সদস্য তাঁর নিকটাত্মীয়দের ঘর দিচ্ছেন! ঘর পাওয়ার প্রয়োজন ছিল যাদের, তারা অনেকেই ঘর পাচ্ছে না। লোকমুখে শোনা যায়, প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেওয়া ঘর পেতে টাকা লেগেছে! কোনো কোনো ঘর তৈরি করার পর মাস যাওয়ার আগেই ফাটল ধরেছে। এতে আতঙ্কিত সদ্য ঘর পাওয়া মানুষগুলো।
সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলায় ১৬০০ ঘর দেওয়া হয়েছে, কিন্তু কামারগাঁও গ্রামের প্রত্যেকটা পরিবার ঘর পাওয়ার যোগ্য হওয়া সত্ত্ব্বেও তারা বঞ্চিত। কিন্তু এই মানুষগুলোই আবার মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রেখেছে।
‘বিড়াল’ গল্পে পড়েছিলাম—খাইতে পাইলে কি কেউ চুরি করে! তেলের মাথায় তেল দেওয়া মনুষ্য জাতির রোগ। এই কথাটি পুরোপুরি মিলে যায় ঘর প্রদানকারীদের সঙ্গে। কয়জন ভিক্ষুক ঘর পেল—পরিদর্শকদের সেদিকে খেয়ালই নেই। জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যাদের ওঠা-বসা তাদের ঘর থাকা সত্ত্বেও ঘর পাচ্ছে। দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি করছে চামচারা, আর জনগণ ভাবছে অন্যরকম...। অতএব, ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সুষ্ঠু তদন্ত কাম্য।
আসাদ বিন সফিক
শিক্ষার্থী, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ
