‘আমার বিজয়ের গল্প’ উত্সবের পুরস্কার বিতরণ ও পাঠ উন্মোচন

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:১৯

ইত্তেফাক রিপোর্ট

জীবনের আনন্দ ও বেদনার না বলা অসাধারণ গল্প নিয়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হলো ‘আমার বিজয়ের গল্প’ প্রতিযোগিতা। এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ ও পাঠ উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয় গতকাল শনিবার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে। অনন্য অর্জনের গল্প তুলে ধরার মাধ্যমে অনুপ্রেরণা দিতে এ উত্সবের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লেখক, গবেষক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ও বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেন। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ও লেখক দীপু মাহমুদ, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের উপ-পরিচালক মো. আনিসুর রহমান এবং ‘আমার বিজয়ের গল্প’ এর আহ্বায়ক, সম্পাদক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-পরিচালক নাজমুল হুদা।

ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা অনেক উন্নত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে পুঁজি করে নিজেদের সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হবে। একাত্তরের বিজয়ে যে তরুণরা অবদান রেখেছেন আগামীর বাংলাদেশ সেই তরুণরাই গড়ে তুলবে’।

তাসমিমা হোসেন বলেন, মেয়েদের অবজ্ঞা বা হেয় করার কোনো কারণ নেই, সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত মেয়েদের মাল্টিটাস্কিংএর ক্ষমতা আছে। সবাইকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখতে হবে। আর শিশুদের ওপর বইয়ের বোঝা কমিয়ে তাদের গল্পের মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়ার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। সে গল্প হোক বিজয়ের গল্প।

এ অনুষ্ঠানে সেরা অর্ধশত লেখককে ইত্তেফাকের পক্ষ থেকে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। আমার বিজয়ের গল্প প্রতিযোগিতার সেরা লেখক-২০১৮ নির্বাচিত হয়েছেন ইজাজ আহমেদ মিলন, গাজীপুর (সাফল্যের শৈলচূড়া)। ২য় সেরা লেখক নির্বাচিত হয়েছেন ফারহা নূর, নোয়াখালী (অপরাজিতা)। ৩য় সেরা লেখক নির্বাচিত হয়েছেন সজীব মাহমুদ, ঢাকা, (ল্যামপোস্ট)।

নাজমুল হুদা বলেন, ‘সবার সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে এই আয়োজন আমরা চলমান রাখবো’।

এই উত্সবের আয়োজন করে শিক্ষা ও পেশাভিত্তিক পোর্টাল ক্যারিয়ার কেয়ার.কম ও বাংলাদেশ অরগানাইজেশন ফর স্কিল ডেভেলপমেন্ট (বায়েসড)। সহযোগিতায় ছিল দৈনিক ইত্তেফাক, বরেন্দ্র, ঢাকা এফ এম ৯০.৪, রকমারি.কম ও বাংলা কাগজ।