স্বাধীনতা ভোরের কুসুম

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২১, ২০:৫১

মুজিব শতাব্দী শুরু দুহাজার একুশের প্রথম প্রহরে

মার্চের সতেরো তারিখের এই মহামতি শুভক্ষণে

একটি কবিতা লিখবো বলে নিয়ত করেছি;

রাত ঠিক বারটার পর থেকে চেষ্টা করছি আপ্রাণ,

না, হচ্ছে না—এভাবে কবিতা হয় না, কবিতা আসে না।

কবিতার জন্য চাই একটা খুঁটি কিংবা লাঠি

আমার খুঁটিও নেই আর লাঠিটাও ভেঙে গেছে

চোখে ক্লান্তি নয়, দীর্ঘদিন ধরে

একটা রোগের ভয় নিয়ে অনিদ্রায় জেগে আছি :

হাত চলছে না, মাথাটাও কাজ করছে না।

কোথাও কি ডাক্তার আছেন? কবি হারিসুল হক

কবিতা না লিখে ছুটছেন রোগীর পেছনে!

ক্রমশ নেতিয়ে পড়ছে সময়ের সিঁড়ি। তবু দেখি

জন্মের সমূহ স্বপ্ন স্থির নক্ষত্রের আলো নিয়ে

ছড়িয়ে পড়েছে দিকে দিকে...

এতটা খারাপ কেন শরীর আমার! পরিচিত

এই প্রিয় শহরে নিঃসঙ্গ আমিত কাউকে দেখছি না!

মেহেদি ফুলের গন্ধে সারাক্ষণ অন্তরঙ্গে নাচে

কখনো নিমগ্নে ডুবে থাকে পলাতক হাওরের পাখি

দুর্দিনে কেন যে তার ছায়াটাও বাতাসে ওড়ে না!

বাতাসের হাত ধরে আমি উড়ছি অন্ধকারে

আমার স্বভাবে—আস্তে আস্তে

উড়ে যাচ্ছি উড়ে যাচ্ছি উড়ে যাচ্ছি

মহাকাশ ব্যাপ্ত ঐ স্যাটেলাইট শূন্যতায়...

আকাশ জড়িয়ে আলো নেমে আসছে রক্তাক্ত মানচিত্রে

সে-আলোয় স্বপ্নের পতাকা বুকে রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে 

বাঙালির সামনে এসে দাঁড়ালেন চিরন্তন জনক মুজিব:

আমার সমস্ত ভয় জয় করে ফুটে ওঠে ভোরের কুসুম।