সূর্যের নেই বঞ্চনারীতি নয় সে নিরুত্তাপ
আলো দিতে এসে ভাবে কি তখন কার বুকে কত পাপ?
ধারে না বিনয় নেই সন্তাপ অভিমান-অভিযোগ
দানে সে উদার সকাল-বিকেল রাখে স্থির মনোযোগ
ঔদার্যের কলা চিনে নেয় ফাল্গুনের অরণ্য
অরণ্য-বন দেয় আশ্রয় অপবাদ পায়— বন্য!
পরিযায়ী পাখি ফি-বছর আসে যায় ফিরে ফের নীড়ে
কিছুকাল ঘুরে খাদ্য কুড়ায় জলে ভেসে ঘুরে-ফিরে
ফাল্গুন আসে ফুলডালা হাতে শিমুল দৃষ্টি কাড়ে
সূর্যোত্তাপ পুষ্পের রঙ ছড়াতে ক্রমশ বাড়ে
বসন্তে ফোটে উদ্যানে ফুল সৌরভে আসে অলি
দেবতার পায়ে ভক্তের ভীড় দেয় অর্ঘ্যাঞ্জলি।
সূর্যটা ডোবে চাঁদের উদয় সে দেয় ছড়িয়ে আলো
সূর্য দ্যুতিতে আলোকিত চাঁদ পূর্ণিমা বাসি ভালো
কৃষ্ণপক্ষে অভিমান কাল নিরালোক পৃথিবীতে
বিরহ যাপন রাত নির্ঘুম কাটাই বিষাদ-গীতে;
বসন্ত ঋতু বারবার আসে নিয়ে তৃষ্ণার রাত
সাথে নিয়ে আসে বিপন্ন প্রেম আর কণ্টকাঘাত
এভাবেই চলে জীবনের হাটে আলো আঁধারের খেলা
দুঃখে ও সুখে কেটে যায় দিন ভাসে বসন্ত ভেলা।
