মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি এসেছে অনেক পরে। এখনো মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান দুই লাখ নারীর সম্ভ্রমের কথা বলা হয়। বীরাঙ্গনাকে এখন বলা হয় যৌন নির্যাতনের শিকার নারী। কিন্তু বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালেই তাদের বীর উপাধি দিয়ে ‘বীরাঙ্গনা’ বলেছিলেন। তাদের যখন সমাজ স্বীকার করেনি, পরিবার মেনে নেয়নি তখনই বঙ্গবন্ধু ৩২ নম্বর তাদের ঠিকানা বলে জানিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে যুদ্ধশিশুর পিতার নামের স্থানে তার নাম লেখা হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনযুদ্ধ, এতে কিছুসংখ্যক রাজাকার-আলবদর ছাড়া বেশির ভাগ জনগোষ্ঠী অংশ নেয়। কিন্তু কিছুসংখ্যক মানুষ সশস্ত্র যুদ্ধকে আগে আনে। পাকহানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ ও গেরিলা যুদ্ধে আমাদের বিজয় হয়। আর এই দুই যুদ্ধে নারীর অবদান ছিল। যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি।
