বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধার সম্মান দেওয়া হয়। গেজেট করা হয় ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে। এর জন্য ২০০৯ সালে আবেদন করেন ‘চেতনায় ৭১ হবিগঞ্জ’-এর সাধারণ সম্পাদক কেয়া চৌধুরী। তিনি তার বাবার কমান্ডেন্ট মানিক চৌধুরীর এক লেখা থেকে জানতে পারেন এলাকার চা বাগানের বীরাঙ্গনা নারীর অস্তিত্ব সর্ম্পকে। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে আবিষ্কার করেন ১২ জন বীরাঙ্গনাকে। যাদের অবস্থা তখন মৃতপ্রায়। কেয়া ইত্তেফাককে বলেন, সেসময় মন্ত্রণালয় থেকে জানতে পারেন এই সম্পর্কিত কোনো গেজেট নেই। তাই এখনই কিছু করা সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রীর আমলে আনা হলে বিষয়টি গুরুত্ব পায়। মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায় এযাবত্ ৪২২ জন বীরাঙ্গনা নারী গেজেটভুক্ত হয়ে পাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা। কেয়া বলেন, যখন তাদের দেখা যাই তখন যৌন অনেক রোগ আর দারিদ্র্য তাদের কুরে খাচ্ছিল। কোনো পরিবার চায়নি বিষয়টি জানাজানি হোক।
