আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ১২ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত সাত জনকে আমতলী ও বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুইটি মোটরসাইকেল আগুনে পুড়ে গেছে এবং ভাঙচুর হয়েছে তিনটি মোটরসাইকেল। ঘটনা ঘটেছে সোমবার রাতে ইউনিয়নের পাতাকাটা এলাকায়। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ পাঁচটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে।
জানা গেছে, উপজেলার চাওড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান বাদল খানের ভাই মাহবুব ও হত্যা মামলার আসামি কিরনের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পাতাকাটা বাঁধের ওপরে অবস্থান নেন। এ সময়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মহসিন তার কর্মীদের নিয়ে মোটরসাইকেলে তালুকদার বাজার যাওয়ার পথে বহরের কয়েকটি মোটরসাইকেল পেছনে পড়লে তাদের ওপর আকস্মিক হামলা চালায় প্রতিপক্ষ। এতে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। সংঘর্ষে জসিম গাজী (৪০), জাকারিয়া (২৬), শানু হাওলাদার (৫০), লোকমান সিকদার (৪৫), নাসির হাওলাদার (৫০), জুয়েল (৩০) ও সাঈদ (২৫) সহ ১২ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে জসিম গাজী, জাকারিয়াকে উন্নত চিকিত্সার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মহসিন হাওলাদার বলেন, পরিকল্পিতভাবে আমার লোকজনকে মারধর এবং ভাঙচুর করেছে তারা। অপরদিকে, আমতলী থানার ওসি মো. শাহ আলম হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি এবং ঐ স্থান থেকে দুইটি পোড়ানো এবং তিনটি ভাঙচুর করা মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছি।
