কোচিং বাণিজ্য বন্ধে নীতিমালা নিয়ে রায় ৭ ফেব্রুয়ারি

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৯, ২০:১৪

কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালার বৈধতার প্রশ্নে জারিকৃত রুলের ওপর আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করবে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদকের চিঠির বৈধতার প্রশ্নে জারিকৃত রুলের ওপর ওইদিন রায় দেয়া হবে। 

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রবিবার রায়ের জন্য এই দিন ধার্য করে। 

গতকাল ওই দুটি রুলের ওপর রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিলো। কিন্তু অ্যামিকাসকিউরি হিসেবে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল তার মতামত আদালতে তুলে ধরেন। 

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থায় ‘কোচিং’ বৈরী পরিস্থিতির তৈরী করছে। শ্রেণি কক্ষের বাইরে কোচিং চলছে। ফলে ক্লাসকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। কোচিং শিক্ষা দিচ্ছে না, এটা শুধু পাশ করার পদ্ধতি বাতলে দিচ্ছে।’ 

ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল বলেন, ‘কোচিংয়ে গিয়ে শিক্ষার্থী পরীক্ষায় পাশ করছে, কিন্তু শিক্ষিত হচ্ছে না। শিক্ষক সম্মানী পান ক্লাসে শিক্ষা দেওয়ার জন্য, কিন্তু কোচিং তার পেশা নয়। প্রাইভেট টিউশনকে নীতিমালায় অনুমোদন দেওয়া আছে, কোচিংকে নয়। আমরা ক্লাসরুমের পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারছি না বলেই ব্যাঙের ছাতার মত কোচিং সেন্টার গজিয়ে উঠছে।’

এ সময় আদালতে দুদকের পক্ষে অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান ও অপর অ্যামিকাসকিউরি ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। 

আরও পড়ুন: ২২ হাউজিং কোম্পানির কার্যক্রমে স্থিতাবস্থা

দুদক আইনজীবী বলেন, ‘কোচিং বাণিজ্য নিয়ে দুটি রিট আজকে রায় প্রদানের জন্য ধার্য ছিলো। কিন্তু একজন অ্যামিকাসকিউরি বিশদভাবে এ বিষয়ে মতামত তুলে ধরেছেন। ৭ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করবে আদালত।’

ইত্তেফাক/কেকে