প্রহসনের সরকারকে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য করতেই গণভবনে চা-চক্রের আয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।
রবিবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠপুত্র আরাফাত রহমানের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, নির্বাচনের আগের রাতে ভোট ডাকাতি করে বাক্সভরে জয়লাভ করেছে তারা। আর এটা নিজে ঠিকই জানে বলেই আজকে সরকার ব্যস্ত হয়ে গিয়েছে কীভাবে তাদের এই যে প্রহসনের সরকারকে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলা যায়।
আরো পড়ুন: মোবাইলে ৩ দিনের নিচে কোন প্যাকেজ নয়
তিনি আরো বলেন, মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করার এই যে প্রচেষ্টা, সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এই চা-চক্রের (গণভবনে) আয়োজন করা হয়েছে। এটাই বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ বিশ্বাস করে। তারা জানে ২৯ ডিসেম্বর রাতে ও ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে কী নাটক ঘটেছিলো, তা সকলে অবহিত আছেন।
আরো পড়ুন: ৪৯ দিনে কোরআনের হাফেজ কুমিল্লার আট বছরের রাফসান
বিএনপির এই নেতা বলেন, ৩০ ডিসেম্বর যে নির্বাচনের প্রহসন আমরা দেখেছি, তার মাধ্যমে আমরা এদেশে যে একটি প্রহসনের সংসদ দাঁড় করিয়েছি এবং যে সংসদের মাধ্যমে এদেশে একটি নতুন করে সরকারও গঠিত হয়েছে। সেই সরকারের সত্যিকারের অবস্থান কোথায়- সেটা আমরা যদি নাও জানি, সরকার নিজে কিন্তু ঠিকই জানে।
তিনি আরো বলেন, এটা কোনো নির্বাচন হয়নি, এটা হচ্ছে একটা প্রহসনের নির্বাচন, একটা ভুয়া নির্বাচন। সেই ভুয়া নির্বাচনের মাধ্যমে যে সংসদ আজকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে সেই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না। কার প্রতিনিধিত্ব করে সেটা আপনারাই বুঝে নিতে পারেন, আমার অধিকতর ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নাই।
ড.আবদুল মঈন খান বলেন, এই সংসদ আজকে প্রতিনিধিত্ব করে সন্ত্রাসীদের, যে সন্ত্রাসীরা ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগে সারা বাংলাদেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে তারা ভোট জালিয়াতি করে নিজেদের বিজয়ী বলে ঘোষণা করেছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
