হুমায়ূন রশিদ চৌধূরী
দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে শিশু ও নারীরা—বন্যার আগাম সর্তকীকরণে স্থানীয় সরকারের সক্ষমতা জোরদারকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা এ কথা বলেছেন। তারা বলেছেন, সমন্বিত উদ্যোগ যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়ক। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের নিবিড় সম্পৃক্ততা জরুরি। বন্যার পূর্বাভাস ও সর্তকীকরণ বার্তা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছাতে পারলে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তারা।
গত ২৫ মার্চ বৃহস্পতিবার সিলেট জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়, বন্যার পূর্বাভাস ও সর্তকীকরণ কেন্দ্র, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সূচনা কর্মসূচির উদ্যোগে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণে বন্যার ঝুঁকি বিশ্লেষণ ও আগাম সতর্কীকরণ সম্পর্কে স্থানীয় সরকারের জ্ঞান ও দক্ষতা, আগাম সর্তকীকরণ বার্তা প্রেরণ কার্যক্রমে সমন্বিত উদ্যোগ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সর্বাধিক বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় কর্মকৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
‘সূচনা’ কর্মসূচির ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মোহাম্মদ আলী রেজা বলেন, বন্যা বা কোনো দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি অসুবিধার সম্মুখীন হন শিশু ও নারীরা। তিনি বলেন, মা ও শিশুরা খাদ্যসমস্যা থেকে শুরু করে নানা সমস্যায় ভোগেন। তাই তাদেও বিষয়ে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করা উচিত। অথচ দুর্যোগের সময় এ বিষয়টি আগে থেকেই ভাবা হয় না বলে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়। কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকি, সিনিয়র ম্যানেজার বিশ্বজিত কুমার রায় প্রমুখ। কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সচিব ও স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
