ইত্তেফাক রিপোর্ট
আগামী মার্চে বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশের মধ্যে পর্যটকবাহী নৌযান চালু হবে। এতে উভয় দেশের পর্যটকরা নৌপথে ভ্রমণ করতে পারবেন। গতকাল রবিবার সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. আদর্শ সোয়াইকার সঙ্গে মতবিনিময় শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দিনাজপুরের চিলাহাটি সীমান্তে একটি স্থলবন্দর নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া চলমান বর্ডার হাটের পাশাপাশি আরো ছয়টি নতুন বর্ডারহাট চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ভারত বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র উল্লেখ করে টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ইস্যুর ক্ষেত্রে জটিলতা নিরসনের জন্য ভারতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশি পণ্য ভারতে রপ্তানির ক্ষেত্রে সমস্যাগুলো দূর করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ভারতের বিনিয়োগ বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোনের তিনটিতে ভারত বড় ধরনের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, আগামী কিছুদিনের মধ্যে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পর্যটকবাহী নৌযান চালু হবে। প্রথমে ভারতের পর্যটক দল নৌপথে বাংলাদেশের সুন্দরবন ভ্রমণ করবে। ভারত বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে রাজধানী ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে ১৫টি ভিসা ইস্যু সেন্টার চালু করেছে। চলমান বর্ডার হাটের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। সভায় বাণিজ্য সচিব মোঃ মফিজুল ইসলাম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) মোঃ শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
