আসন্ন উপজেলা নির্বাচন

রাণীনগরে আওয়ামী লীগে নতুন মুখের হিড়িক

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:০৮

সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই দেশজুড়ে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে আলোচনা বেশ জমে উঠেছে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় আলোচনার ঝড় বইছে এই নির্বাচন নিয়ে। কে হচ্ছেন দলীয় প্রার্থী, কে পাচ্ছেন আওয়ামী লীগের টিকেট এসব নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে বিএনপি জোট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি-না, এই বিষয়ে নিশ্চিত না হওয়া গেলেও আওয়ামী লীগের প্রার্থিতা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। নির্বাচনী মাঠে রয়েছে একাধিক নতুন মুখ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার-প্রচারণা তুঙ্গে উঠেছে। এছাড়া ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারসহ নানাভাবে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছেন প্রার্থীরা। তবে নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে দৌড়ঝাঁপ শুরু হলেও এখনো নীরব বিএনপি-জামায়াত জোট।

আওয়ামী লীগ থেকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হেলাল, উপজেলা যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো: রেজাউল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আসাদুজ্জামান নুরুল, একডালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো: আনোয়ার হোসেন বিএ।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন সাবেক উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল্লাহ মিঞার ছেলে উপজেলা যুবলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক জারজিস হাসান (মিঠু), সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাফাত হোসেন, কাশিমপুর ইউপির সাবেক মেম্বার ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গির হোসেনসহ (আলম) আরো অনেকে। এছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোছা: ফরিদা পারভীন, উপজেলা যুব মহিলা লীগের নেত্রী মোছা: চাতকী বেগমসহ আরো অনেকের নাম শোনা যাচ্ছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজ উদ্দিন বলেন, আমাদের মাঝে কোনো দ্বন্দ্ব কিংবা কোন্দল নেই। স্থানীয় সংসদ সদস্য ভালো-মন্দ বিচার করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যাকে নৌকা প্রতীক দিবেন আমরা তার হয়েই কাজ করবো এবং নৌকার বিজয়কে সুনিশ্চিত করবো।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম আল ফারুক জেমস বলেন, এই প্রথম উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা কাজ করবো। তবে আমাদের মধ্যে থেকে যদি কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে চান তাহলে তিনি অবশ্যই দল ত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে পারবেন এতে কোনো বাধা নেই।