খালাসের রায় বাতিল করে আসামিকে সাত বছরের দণ্ড

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:৪৭

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ম্যানেজার মোঃ ফারুকুজ্জামানকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে হাইকোর্ট। বিশেষ আদালতের খালাসের রায় বাতিল করে বিচারপতি মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল রবিবার এ রায় দেন। রায়ে হাইকোর্ট আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে দুদক আইনের ২৬(২) ধারায় ৩ বছর ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ২৭(১) ধারায় ৪ বছর কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে। এছাড়া তার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আদেশ দেওয়া হয়। দুটি ধারায় দেওয়া দণ্ড একসঙ্গে চলবে বলে আসামিকে চার বছর সাজা ভোগ করতে হবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিনউদ্দিন মানিক। তিনি বলেন, রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পরই আসামিকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ম্যানেজার (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোঃ ফারুকুজ্জামানকে সম্পদ বিবরণীর নোটিস দেয় দুদক। নোটিসের পর তিনি সম্পদ বিবরণীর হিসাব দাখিল করেন। পরে তা যাচাই-বাছাই করে অবৈধ সম্পদের সন্ধান পায় কমিশন। এরপর ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে তার বিরুদ্ধে যশোরের কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়। ওই মামলায় ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবর বিশেষ জজ আদালত আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়। ওই খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক। ওই আপিলের ওপর দীর্ঘ শুনানি শেষে হাইকোর্ট খালাসের রায় বাতিল করে গতকাল আসামিকে সাত বছর দণ্ড দেয়।