‘মাছ মাংসে বিষ প্রমাণ মিলেছে’ শিরোনামে গত ২৪ জানুয়ারি দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ করেছেন বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)। প্রতিবাদে বলা হয়, প্রতিবেদনটিতে যে সাম্প্রতিক গবেষণার কথা বলা হয়েছে তা ২০১৪ সালের। সেই সময় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের একটি টিম গবেষকের সাথে দেখা করলে তিনি দাবি করেন যে, কোন আধুনিক বা অরগানাইজড ফিড মিল থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়নি। প্রতিবাদে আরো বলা হয়, সম্প্রতি যে ১১ হাজার টন ট্যানারির বর্জ্য দিয়ে তৈরি হাঁস-মুরগি মাছের খাদ্য জব্দ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে তা সঠিক নয়। উক্ত অভিযানে কোন ফিড মিল কিংবা ট্যানারির বর্জ্য দিয়ে হাঁস-মুরগি-মাছের খাবার উত্পাদনকারী কোন কারখানাতেই অভিযান চালানো হয়নি। বরং সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের ৪টি পয়েন্টে খোলা জায়গায় স্তুপকৃত ট্যানারির বর্জ্য ধ্বংস করা হয়েছে।
বিপিআইসিসি প্রতিবাদে আরো বলেছে, ট্যানারির বর্জ্য যেন হাঁস মুরগি বা মাছের খাবারে কোনভাবেই না আসতে পারে সেজন্য পোল্ট্রি সংশ্লিস্ট অ্যাসোসিয়েশনগুলো অনেক আগে থেকেই সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পরামর্শ দিয়ে আসছে। আমরা মনে করি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে ট্যানারির মালিক ও অ্যাসোসিয়েশনগুলোর অনেক দায়িত্ব রয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তাদের আরো বেশি সজাগ ও সতর্ক হওয়া উচিত। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেনসিটাইজ করা উচিত এবং কেউ যেন এ ধরনের বিষাক্ত বর্জ্য নির্দিষ্ট এলাকর বাইরে নিতে না পারে কিংবা গোপনে বিক্রি করতে না পারে সে বিষয়টিও নিশ্চিত করা উচিত। একই সঙ্গে রেগুলেটরি বডিগুলোর নজারদারি আরো বাড়ানো উচিত বলে মনে করেন বিপিআইসিসি।
প্রতিবেদকের বক্তব্য: সরেজমিনে অনুসন্ধান, প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর ও মোবাইল কোর্টের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই উক্ত প্রতিবেদনটি করা হয়েছে।
