৫০ বছরে বাংলাদেশ শিক্ষার্থীদের ভাবনা

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০২১, ২০:১৭

দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ফল এই স্বাধীনতা। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর অতিক্রম করেছে বাংলাদেশ। এই দেশকে নিয়ে আছে নানান প্রত্যাশা আর ফলস্বরূপ আছে প্রাপ্তি। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভাবনায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা তুলে ধরেছেন— যোবায়ের ইবনে আলী

সরকারের সামষ্টিক বিষয়ে পূর্ণ

পদক্ষেপের প্রয়োজন

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, স্বাধীন বাংলাদেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে। কিন্তু এসব অঙ্গীকার পূরণ হয়নি। বরং দিনে দিনে বৈষম্য বেড়েছে। সমসাময়িক দেশে অবকাঠামোগত উন্নয়নের জোয়ার বয়ে চলছে কিন্তু মানুষের মানবিক উন্নয়নে দিন দিন ধ্বস নামছে। শিক্ষা ব্যবস্থার যথাযথ অবকাঠামোগত ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের কোন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয়নি। সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সমাজ, রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কাছে জনগণের সহযোগিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। স্বাধীনতা অর্জন করার পাশাপাশি সেই স্বাধীনতা রক্ষা করার দায়িত্বটা আমাদেরকে নিতে হবে। তাই, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সামষ্টিক বিষয়ে পূর্ণ পদক্ষেপ সরকারের কাছ থেকে আশা করি।

ছিদ্দিক ফারুক

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

কৃষি খাতে নজর দিতে হবে

স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও বর্তমানে বাংলাদেশের সামনে রয়েছে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ। তার মধ্যে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা অন্যতম। বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে কৃষি। অথচ সেই কৃষি খাতেই প্রয়োজনীয় দক্ষ শ্রমিকের অভাব রয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষের জীবন-জীবিকা কোনো না কোনোভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। এই খাতে তাই দক্ষ শ্রমিকের কোনো বিকল্প নেই। কৃষিতে যদি শ্রমিক সংকট দেখা দেয়, তাহলে তা হবে দেশের জন্য অশনিসংকেত। ফসল উত্পাদন ব্যাহত হবে এবং দেশে খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি তৈরি হবে। তাই সরকারকে এখনই এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। কৃষি শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের গ্রামমুখী করার জন্য উদ্যোগ নিতে হবে।

রাফিয়া আফসারা

কৃষি বিভাগ, হাজী মোহাম্মদ দানেশ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।