প্রকাশনাশিল্পে যুক্ত নারীদের কাজের জায়গাটা অনেক চ্যালেঞ্জের — তাসনুভা আদিবা, প্রকাশক, অধ্যয়ন

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০২১, ২০:১৯

  মহিলা অঙ্গন প্রতিবেদক

অতীতে আমরা দেখেছি প্রবীণ লেখকদের মধ্যে জনপ্রিয় লেখক সেলিনা হোসেন, নীলিমা ইব্রাহীম, সুফিয়া কামাল, জাহানারা ইমাম ওনাদের মতো অনেক নামকরা নারী লেখকেই ছিলেন, সেই সময়ের উপযোগী লেখা পাঠকদের জন্য লিখেছেন। ঠিক তেমনি বর্তমান সময়ে অনেক নারী লেখকদের এই প্রজন্মের নতুন পাঠকদের চাহিদা অনুযায়ী অনেক ভালো মানের বই প্রকাশ পাচ্ছে। এবং খুবই আনন্দের বিষয় এটা যে এদের লেখার মানও যেমন ভালো, তেমনি পাঠকের সংখ্যাও অনেক। সেই সঙ্গে এটাও দেখছি নারী প্রকাশকের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে নারীদের প্রকাশনা সংস্থার কাজের জায়গা বা কর্মস্থল কোনোটাই নারীদের অনুকূল হয়ে উঠেনি এখনো। তবে এটা ঠিক যে প্রকাশনা সংস্থাকে ভালোবেসে এবং কিছুটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে হলেও নারীরা এগিয়ে আসছে। একজন নারী প্রকাশক হিসেবে আমাদের কাজের জায়গাটিও চ্যালেঞ্জের। আমি বই প্রকাশের ক্ষেত্রে লেখক নির্বাচনে সব সময় তরুণদের এবং নারী লেখকদের প্রাধান্য দিয়ে থাকি এবং বই প্রকাশের ক্ষেত্রেও তরুণ প্রজন্মের চাহিদার কথা বিবেচনা করে থাকি। আমি মনে করি যে তরুণের বই পড়ার অভ্যাস হবে সে কখনোই বিপথে যাবে না। বই পড়ে নিজেও আলোকিত হবে এবং সমাজেও আলো ছড়াবে তারা।

অমর একুশে বইমেলা এখন বাঙালির সবচেয়ে বড় জাতীয় উত্সব। এবার করোনা সংক্রমণের জন্য বইমেলার ছন্দপতন ঘটেছে। তার পরও এই উত্সবকে ঘিরে লেখক, পাঠক, প্রকাশক, সাংবাদিক থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন মিলিত হন বইমেলার মাঠে। ৫০-৬০টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান নিয়ে যাত্রা শুরু করা বইমেলা, আজ পাঁচ শতাধিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বইমেলা। বিগত বছরের চেয়ে এ বছর মেলার পরিধি বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। অত্যন্ত সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর পরিকল্পনা ও নকশার মাধ্যমে মেলা সাজানো হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সবাই মেলা থেকে তাদের পছন্দের বই সংগ্রহ করতে পারবেন।