n মায়িশা আতিয়া
করোনার এই সময়ে বৈশাখী উত্সব সেইভাবে পালিত হচ্ছে না। তাই আপনি ঘরেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ উত্সব পালন করতে পারেন। বাংলা নববর্ষের উত্সব সাজসজ্জায় গুরুত্ব পায় বাঙালিয়ানা সাজ। এ সময় প্রকৃতিতে গরম আবহাওয়া বিরাজ করে, তাই সাজ ও পোশাকের ক্ষেত্রে স্বস্তির বিষয়টি বিবেচনায় রাখা খুবই জরুরি।
বৈশাখের গরমে সারাদিনের সাজে মেকআপটা অবশ্যই হওয়া চাই হালকা ন্যাচারাল লুক এবং মেকআপের সমস্ত প্রসাধনী হতে হবে ওয়াটার প্রুফ, যেন ঘামে নষ্ট না হয়। মেকআপের স্থায়িত্বের জন্য শুরুতেই প্রাইসার লাগিয়ে নেওয়া ভালো এবং বৈশাখে মেকআপ যদি ৬পিএফ ফিল্টার সমৃদ্ধ হয় তাহলে আরও ভালো। চুলের সাজে বাঙালিয়ানা লুক ফুটিয়ে তুলতে খোঁপা ও বেণির বিকল্প নেই। পোশাক, চুলের ধরন, মুখের গড়ন, পছন্দ সবকিছুর সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন খোঁপা ও বেণির ডিজাইন। তবে বৈশাখী সাজ অতিরঞ্জিত নয়, যতটা ন্যাচারাল দেখাবে ততটাই সুন্দর লাগবে আপনাকে। তাই চুমকিতে অতিরিক্ত হেয়ার স্প্রে বা মুগ ব্যবহার না করে ন্যাচারাল দেখায় তেমনিভাবেই চুল সেট করুন। তবে চুল বাঁধার আগেই কপালে টিপ পরুন। বর্তমানে ডিজাইনাররা টিপের মধ্যে অনেক ধরনের নকশা করছেন। বিভিন্ন সাইজ ও রঙের টিপ রয়েছে, পছন্দমতো পরে নিয়ে আপনার বৈশাখী সাজকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন। পহেলা বৈশাখের পোশাকের রং বলতে একটি সময় ছিল যখন কেবল লাল ও সাদাকেই বোঝাত। কিন্তু বর্তমান সময়ে ডিজাইনাররা বৈশাখী পোশাকে রেখেছেন বিভিন্ন রঙের উপস্থিতি। যা বর্ষবরণ উত্সবকে করে তুলেছে রঙিন।
বৈশাখী সাজে মেকআপে যেহেতু গুরুত্ব পায় স্নিগ্ধ, সতেজ, ন্যাচারাল লুক, তাই বৈশাখী সাজে বাঙালি লুক ফুটিয়ে তুলতে চুলের সাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চুলের সাজকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পরতে পারেন নাকফুল বা খোঁপায় কাটা পুসি বা অন্যকিছু দিয়ে। পহেলা বৈশাখের পোশাকের রং বা ডিজাইন বিভিন্ন রকম হতে পারে। তবে পোশাকের ফেব্রিক্স অবশ্যই হওয়া চাই সুতি। কেননা গরমে সুতি সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক।
ছবি রঙ বাংলাদেশ
