এই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতা কমে থাকে বলে ত্বক বেশি রুক্ষ হয়ে পড়ে। তখন ত্বকের রুক্ষতা আর ছত্রাকের প্রভাবে চুলে খুশকি হয়। খুশকিমুক্ত ঝলমলে চুলের জন্য পরামর্শ নিয়ে এবারের আয়োজন।
l চুলে অন্তত একদিন নারিকেল তেল ব্যবহার করুন, যা চুলকে করে তুলে খুশকিমুক্ত।
l সপ্তাহে একদিন নারিকেল তেল হালকা গরম করে মাথার তালুতে সামান্য করে গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে মাথায় জড়িয়ে ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। গরম ভাপে খুশকি মাথার তালু থেকে উঠে আসবে। পরপর তিন সপ্তাহ করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।
l লেবুর রস খুশকি রোধে বেশ উপকারী। নারিকেল তেলে লেবুর রস মিশিয়ে বা লেবু টুকরা করে কেটে মাথার তালুতে ঘষে ঘষে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে শুধু পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলে পরদিন শ্যাম্পু করুন।
l শ্যাম্পু করার পর এক মগ পানিতে একটি লেবুর রস মিশিয়ে চুল ধুয়ে নিলে খুশকি যেমন কম হবে, তেমনি চুল বেশ ঝকঝকে ও হালকা হবে।
l আয়ুর্বেদীয় মতে, কর্পুর মাথা ঠাণ্ডা করে এবং খুশকি দূর করে। এক্ষেত্রে কর্পুর গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে ম্যাসাজ করে একদিন রেখে পরদিন শ্যাম্পু করে ফেলুন। পানির বদলে তেলও ব্যবহার করতে পারেন।
l পেঁয়াজের রস খুশকি প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখে। একটি পেঁয়াজ থেঁতো করে রস চুলের গোড়ায় লাগান। সাবধান, চোখে যেন না পড়ে।
l চুল বারবার ব্রাশ বা চিরুনি করে মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক গতিময় রাখুন, এতে চুল ভালো থাকবে ও মাথার ত্বকের মরা চামড়া বা খুশকি উঠে আসবে।
l একদিন পরপর মাথায় মানসম্পন্ন খুশকি প্রতিরোধক শ্যাম্পু ব্যবহার করুন, আপনার চুল হয়ে উঠবে আরও সুন্দর।
সুন্দর চুলের জন্য নিয়মিত চুলের যত্ন নিন। আর মনে রাখবেন, চুল কখনই ভেজা রাখবেন না। হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করে ফ্যানের বাতাসে চুল শুকিয়ে নিন
