যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, দেশটি কোনো বিদেশী শক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে দিতে পারে না। নির্বাচনে হস্তক্ষেপ ও সাইবার হামলার জন্য প্রেসিডেন্ট বাইডেন রাশিয়াকে শাস্তি দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়ার পর এ কথা বলেন। শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) এখবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মস্কোর সঙ্গে সংযুক্ত ৩০টি সংস্থা ও ব্যক্তিদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ২০২০ সালের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের জন্য ও গুজব ছড়ানোর প্রচেষ্টার জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিসহ ওয়াশিংটনের রাশিয়ার দূতাবাসের দশজন কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বাইডেন হোয়াইট হাউসে বলেন, আমি রাশিয়ার বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে তাদের কর্মের ফলস্বরূপ বহিষ্কারসহ কয়েকটি পদক্ষেপের অনুমোদন দিয়েছি। রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে যে ক্ষতিকারক পদক্ষেপ নিয়েছে তার জন্য নিষেধাজ্ঞাসহ নতুন পদক্ষেপের অনুমোদনের একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছি।
তিনি আরো জানান, তিনি এই সপ্তাহের শুরুতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ফোনে জানিয়েছেন যে তিনি এর চাইতেও আরও বেশী পদক্ষেপ নিতে পারতেন কিন্তু তিনি চান না ওয়াশিংটন এবং মস্কোর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি হোক। বাইডেন বলেন, রাশিয়া যদি আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপ অব্যাহত রাখে, আমি প্রতিক্রিয়া জানাতে আরও পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি।
গত বছরের বৃহৎ সাইবার সিকিউরিটি লঙ্ঘন, যেখানে টেক্সাস-ভিত্তিক সফটওয়্যার ম্যানেজমেন্ট সংস্থা সোলার ওয়িইন্ডস, কয়েক হাজার সংস্থার এবং একাধিক ফেডারাল এজেন্সির সিস্টেমে প্রবেশের পথ করে দেয়, তার জন্য বাইডেন প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থা এসভিআরকে দোষারোপ করেছে। রাশিয়ার গুপ্তচর সংস্থা এই অভিযোগকে "অর্থহীন" এবং "বানোয়াট" বলে অবিহিত করেছে।
ইত্তেফাক/এসএ
