শাহীন হাফিজ, বরিশাল অফিস
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে বরিশালের ছয়টি আসন থেকে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ ও ইসলামী আন্দোলন এর অর্ধশতাধিক নেতা নানা প্রক্রিয়ায় প্রার্থী হতে লবিং শুরু করেছেন। ইতোমধ্যেই দলের সমর্থন পেতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি এলাকায় জনসংযোগ করে চলেছেন তারা। বরিশাল মহানগরসহ ১০ উপজেলা নিয়ে এই ছয়টি সংসদীয় আসন। আর এসব আসনে পুরনোদের পাশাপাশি নতুনরাও মনোনয়ন পেতে বেশ আগ্রহী।
জানা গেছে, ছয়টি আসনে যাদের সাক্ষাত্ তো দূরের কথা ফোনেও পাওয়া যেত না তারা হঠাত্ করেই সার্বক্ষণিক সময় দিচ্ছেন নিজ নিজ এলাকায়। এতে করে স্ব স্ব দলের সুবিধাভোগী নেতা-কর্মীদের মধ্যে কিছুটা চাঞ্চল্য লক্ষ্য করা গেলেও সুযোগ সন্ধানী এসব নেতার হঠাত্ মধুর বুলিকে কানে না তুলে হাইকমান্ড থেকে সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন ত্যাগী কর্মীরা। এসব রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি ছয়টি আসনের অধিকাংশ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তেমন একটা এলাকামুখী না হলেও নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করায় বর্তমানে তারা এলাকা ছাড়ছেন না। এখন এলাকায় পড়ে থেকে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন ভোটার ভোলাতে।
এদিকে তফসিল ঘোষণার পর থেকেই পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ব্যাংক, বীমা, অফিস, আদালতে নির্বাচন নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। বরিশাল জেলার ছয়টি আসনের ভোটাররা সব দলের অংশগ্রহণমূলক একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অতীতে কোন প্রার্থীর কি জনসমর্থন ছিল তা নিয়ে চলছে ভোটারদের মধ্যে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
অপরদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত তালিকা সূত্রে জানা গেছে, বরিশালের ছয়টি আসনে এবারে ভোটারের পাশাপাশি বেড়েছে ভোটকেন্দ্র ও বুথ।
