আওয়ামী লীগের সমর্থন পাবেন সত্ ও জনপ্রিয়রা

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:২৩

আসন্ন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নতুন ৩৬টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে সত্, জনপ্রিয় ও যোগ্য নেতাদের সমর্থন দেবে আওয়ামী লীগ। আর দল সমর্থিত একক প্রার্থীর বাইরে কেউ বিদ্রোহী হলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে দলটি। দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে সত্ ও যোগ্য প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দুই দফায় ৮ শতাধিক সমর্থন প্রত্যাশীর সাক্ষাত্কার নিয়েছে প্রার্থী বাছাইয়ে গঠিত দলের কেন্দ্রীয় ৮ নেতার সমন্বয়ের গঠিত বিশেষ টিম।

গতকাল বিকাল ৩টায় প্রথমে উত্তর সিটির ১৮ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে সমর্থন প্রত্যাশীদের সাক্ষাত্কার গ্রহণ শুরু হয়। সন্ধ্যা ৭টায় দক্ষিণ সিটির আওতাধীন ১৮ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে সমর্থন প্রত্যাশীদের সাক্ষাত্কার নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উত্তরের সাক্ষাত্কার নিতেই রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত লেগে যায়। এরপর দক্ষিণ সিটির ১৮ ওয়ার্ডের সমর্থন প্রত্যাশীদের সাক্ষাত্কার গ্রহণ করে বিশেষ টিম। জানা গছে, ৮ শতাধিক সাক্ষাত্কার দেওয়া প্রার্থীর মধ্য থেকে অধিকতর যোগ্য, জনপ্রিয়, সত্ ও দলের জন্য নিবেদিত ৩৬টি ওয়ার্ডের জন্য ৩৬ জন ও ১২টি সংরক্ষিত মহিলা পদের জন্য ১২ জন প্রার্থী চূড়ান্ত করে কেন্দ্রীয় বাছাই কমিটি। আজ মঙ্গলবার বিকালে দল সমর্থিত একক কাউন্সিলর প্রার্থীর নাম তালিকা আকারে প্রকাশ করা হতে পারে।

গতকাল সাক্ষাত্কার অনুষ্ঠানের আগে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আসন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনে সত্ ও যোগ্য প্রার্থীদের আওয়ামী লীগ সমর্থন দেবে। দল যাকে সমর্থন দেবে তার পক্ষে সবার কাজ করতে হবে। দলের বাইরে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অন্য কোনো দল নির্বাচনে না এলে ৩০ জানুয়ারি পর নির্ধারিত হবে কীভাবে নির্বাচন হবে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, জনপ্রিয়তা, সততা, নিষ্ঠা, দলীয় কমিটমেন্ট আমাদের যোগ্যতার   মাপকাটিতে থাকবে। এইগুলো বিবেচনায় নিয়েই কাউন্সিলর পদে প্রার্থীদের সমর্থন দেয়া হবে।

সাক্ষাত্কারে অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য সমর্থন প্রত্যাশীরা হলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নতুন ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে ঢাকা মহানগর উত্তর তাঁতী লীগের সভাপতি হাজী হামিদ আহমেদ, সিরাজ উদ্দিন মেম্বার, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভাটারা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সহিদ উদ্দিন খন্দকার, আওয়ামী লীগের সমর্থক সফিকুল ইসলাম বাসেত, ৪০ নম্বর ওয়ার্ডে হাজী নুজরুল ইসলাম ঢালী ও স্থগিত হওয়া ভাটারা থানার আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মারফত আলী, ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে ডা. আবদুল মতিন, হাজী মো. আবদুল্লাহ খান, ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে আবদুর রহিম সৈকত, আইয়ুব আনসার মিন্টু, হাজী জাহাঙ্গীর আলম, এমপি রহমত উল্লাহর ভাগ্নে ফারুক আহমেদ, ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে মো. মোমেন মিয়া, মো. মোক্তার হোসেন, ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে উত্তরখান থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন, থানার স্থগিত হওয়া কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সফিকুল ইসলাম সফিক, ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে উত্তরখান থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, আতিকুর রহমান মিলন, উত্তরখান থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল, ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান সরকার, তাঁতী লীগের জাইদুল ইসলাম মোল্লা, উত্তরখান থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. জাকির হোসেন, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক এসএম মাহবুব, দক্ষিণখান থানা আওয়ামী লীগের স্থগিত হওয়া কমিটির ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. আবেদ আলী, দক্ষিণখান থানা শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. মোতালেব হোসেন মেম্বার, ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য রফিকুল ইসলাম রবি, দক্ষিণখান থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম আসাদুুজ্জামান মিঠু, মো. তারাজ উদ্দিন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন, ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, হাজী সফি উদ্দিন পনু, মনির হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ দক্ষিণখান থানা সভাপতি আনিসুর রহমান নাইম, ৫০ নম্বর ওয়ার্ডে দক্ষিণখান থানা আওয়ামী লীগ আবু হানিফ, যুবলীগ মহানগর উত্তরের সহ-সভাপতি বিএম শামীম ও আওয়ামী লীগ নেতা সহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

উত্তরের ৫১ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুল ইসলাম, তুরাগ থানা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন মেম্বার, ১১ নম্বর সেক্টর কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সরিফুল ইসলাম, ৫২ নম্বর ওয়ার্ডে তুরাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডি হালিম, উত্তরা থানার সাবেক সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মেম্বার, হরিরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুল ইসলাম ইকবাল,  ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন মেম্বার, তুরাগ থানা আওয়ামী লীগের স্থগিত কমিটির সহ-সভাপতি লেহাজ উদ্দিন, স্থগিত কমিটির যুগ্ম সম্পাদক জিয়াউল হক জামাল, ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডে তুরাগ থানা আওয়ামী লীগের স্থগিত কমিটির সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম মোল্লা, থানার সাবেক সহ-সভাপতি বারেক মেম্বার ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রাজ্জাক মেম্বার প্রমুখ। 

ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডে সফিকুল ইসলাম সাইদুল, হাজী সিরাজুল ইসলাম, ৫৯ নম্বর ওয়ার্ডে হাজী আমিনুল ইসলাম, শ্যামপুর থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি সফিকুল ইসলাম খান, ৬০ নম্বর ওয়ার্ডে আবুল বাসার শুভ, লুত্ফর রহমান রতন, ৬১ নম্বর ওয়ার্ডে যাত্রাবাড়ি থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাকির হোসেন অনু, আহমেদুল করিম জয়, জামাল পাটোয়ারী, ৬২ নম্বর ওয়ার্ডে আবু বকর সিদ্দিক, কৃষক লীগ যাত্রাবাড়ী থানার সাধারণ সম্পাদক রতন মেম্বার, ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাঈম, ৬৪ নম্বর ওয়ার্ডে জুলহাস, ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডে ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শান্ত নূর খান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এনামুল ইসলাম, ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডে হানিফ তালুকদার, মোবাররক হোসেন সাউদ, ৬৭ নম্বর ওয়ার্ডে হাজী মো. আলী, ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডে সহিদুল ইসলাম, ৬৯ নম্বর ওয়ার্ডে হাবিবুর রহমান হাবু, আবুল বাসার, ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আমান উল্লাহ ব্যাপারী, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী আতিকুর রহমান, ৭১ নম্বর ওয়ার্ডে খায়রুজ্জামান খায়রুল, এখলাস হোসেন খান দানব, ৭২ নম্বর ওয়ার্ডে শফিকুল ইসলাম শামীম, মনির হোসেন সাঈদ, ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে সফিকুল ইসলাম, ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে মো. ফজর আলী, হুমায়ুন কবীর, আজিজুল হক, ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে জহিরুল ইসলাম ব্যাপারী, আল মামুন প্রমুখ গতকাল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বিশেষ টিমের কাছে সাক্ষাত্কার দিয়েছেন।