রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, আমি আশা করব যে, লেখক, গবেষক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীরা স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে তাদের গবেষণা চালিয়ে যাবেন। যা দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যত্ প্রজন্মকে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস জানাতে সহায়ক হবে। রাষ্ট্রপতি গতকাল সোমবার বঙ্গভবনের দরবার হলে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মো. সারোয়ার হোসেনের লিখিত ‘১৯৭১: প্রতিরোধ সংগ্রাম বিজয়’ গ্রন্থের প্রকাশনা উত্সবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন। এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের সকল তথ্য সম্ভার সংরক্ষণ, নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপসহ আরো গবেষণার আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নতুন প্রজন্ম যাতে করে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারে তা নিশ্চিত করা আমাদের পবিত্র কর্তব্য। মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধী শক্তি সুযোগ পেলেই বিভিন্ন সময়ে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস বিকৃতির প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছে। তিনি বলেন, বর্তমান ও ভবিষ্যত্ প্রজন্ম স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারলে দেশ ও জাতি লাভবান হবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা দ্রুততার সঙ্গে কমে যাচ্ছে এমনও হতে পারে যে, ১০ বা ২০ বছর পর হয়তো কেউ আর জীবিত থাকবেন না। কিন্তু মুক্তযুদ্ধে তাদের দান, তাদের বীরত্ব ও উজ্জ্বলতা চিরন্তন এবং তা কখনোই অস্পষ্ট হবে না। ‘১৯৭১: প্রতিরোধ সংগ্রাম বিজয়’ বইটি সম্পর্কে আবদুল হামিদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধে অনেক কিছুই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ গ্রন্থে আলোচিত হয়েছে।
জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ইমিরিটাস অধ্যাপক ড. একে আজাদ চৌধুরী, অধ্যাপক সৈয়দ মন্জুরুল ইসলাম, অধ্যাপক মোহাম্মদ জাফর ইকবাল ও বইটির লেখক মো. সারোয়ার হোসেন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
