জয়পুরহাটে দোকানে জরিমানা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অবরুদ্ধ 

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২১, ১৭:১৯

৭ম দিনে লকডাউন বলতে কিছুই ছিলনা জয়পুরহাটে। কেন্দ্রীয় মসজিদ মার্কেটে বুধবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে তানিয়া মোবাইল দোকানে ১শ টাকা জরিমানা করায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোশারফ হোসাইন। 

দেশে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে থেকে এক সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। এই লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন ও  পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা কঠোর অবস্থানে থাকলেও ৭ম দিনে লকডাউন বলতে কিছুই ছিলনা। ব্যাটারিচালিত অটো রিকসা, রিকসা-ভ্যান চলাচলসহ সাধারণ মানুষের চলাচল ছিল স্বাভাবিক। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লকডাউনের মধ্যে ঘর থেকে বের হওয়ার বিধি নিষেধ থাকলেও তা মানতে দেখা যায়নি। মার্কেটের ভেতরে দোকান খোলা থাকায় অনেক মানুষকে মার্কেট করতে দেখা যায়। মসজিদ মার্কেট, মহিলা মার্কেট, কাপড়পট্টিসহ নিউ মার্কেটের ভিতরে দোকানগুলোতে বেচাকেনা করতে দেখা গেছে। ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট আসার খবরে দোকান বন্ধ করার অভিনয় করা হলেও ম্যাজিস্ট্রেট চলে যাওয়ার পরে আবার খোলা হয়। কাঁচাবাজারগুলো খোলা জায়গায় স্থানান্তরের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। স্বাস্থ্যবিধির বালাই ছিলনা সাধারণের মাঝে।

শহরের কেন্দ্রীয় মসজিদ মার্কেটে তানিয়া মোবাইল সার্ভিসিংয়ের একটি দোকান খোলা রাখার দায়ে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোশারফ হোসাইন ১শ টাকা প্রতীকী জরিমানা করে। তাৎক্ষনিকভাবে বেশ কিছু দোকানী ম্যাজিস্ট্রেট ও সঙ্গে থাকা পেশকারকে অবরুদ্ধ করে জরিমানার প্রতিবাদ করতে থাকে। এ অবস্থায় কৌশলে ম্যাজিস্ট্রেট মোশারফ হোসাইন দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা বলেন, আরও বেশি সংখ্যক পুলিশ নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়ন করতে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান পুলিশ সুপার।

ইত্তেফাক/এমএএম