নারায়ণগঞ্জের মদনপুর থেকে করোনায় আক্রান্ত স্বামীকে নিয়ে এসেছিলেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ঘড়ির কাটায় তখন দুপুর ১২টা ২৪ মিনিট। অসুস্থ আব্দুল মতিন অক্সিজেন লাগানো অবস্থায় শুয়ে ছিলেন অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই। অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে চলছিল ভর্তির আনুষ্ঠানিকতা। হাসপাতালের টিকিট কেটে ভর্তির পর ভেতরে নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আব্দুল মতিনের মৃত্যুর খবর আসে। হাসপাতালের সামনেই গড়াগড়ি দিয়ে কাঁদতে থাকেন স্ত্রী রোকসানা। যে অ্যাম্বুলেন্সে জীবিত স্বামীকে নিয়ে এসেছিলেন হাসপাতালে, সেটিতেই তার লাশ নিয়ে যাওয়া হয়। গতকালের ছবি —আব্দুল গনি