ভারতে করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার শেষ দুই দফার ভোটগ্রহণ একসঙ্গে করার আবেদন জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু গতকাল শুক্রবার এ নিয়ে দীর্ঘ বৈঠকের পর তা খারিজ করে দিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, আগের ছয় দফায় যেভাবে ভোটগ্রহণের দিনে বিক্ষিপ্ত সহিংসতা হয়েছে, তাতে এক দিনে ভোটগ্রহণ সম্ভব নয়। এজন্য যে সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন, তা জোগাড় করা যাচ্ছে না। এজন্য দুই দফায়ই ভোটগ্রহণ হবে। তবে প্রার্থীদের কঠোরভাবে করোনা স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। কোনো প্রার্থী স্বাস্থ্যবিধি না মানলে গ্রেফতারও হতে পারেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলাও করা হবে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
আগামী ২৬ এবং ২৯ এপ্রিল বাকি দুই দফার ভোটগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে। এই দুই দফায় ৭১ আসনে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। তবে করোনা আক্রান্ত হয়ে দুই আসনের প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় ভোটগ্রহণ হবে ৬৯ আসনে। উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ইতিমধ্যেই প্রচারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। সেই মতো রাজনৈতিক দলগুলোকে সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে ভার্চুয়াল প্রচারণায়।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গের ভোট নিয়ে গতকাল শুক্রবার ভার্চুয়াল সভা করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি কলকাতা শহরকে আধুনিক করার পরিকল্পনার ওপর জোর দিয়েছেন। কলকাতাকে সবদিক থেকেই ‘ভবিষ্যতের শহর’ করে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, শেষ দুই দফায় কলকাতার ১১টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে।
