স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে যাওয়া অদম্য একজন

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৯, ২০:১৯

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই স্বপ্ন দেখতেন নিজে কিছু করবেন। এগিয়ে নেবেন দেশকে। ভূমিকা রাখবেন মানুষের জন্য কিছু করার কাজে। এখন সেটা বাস্তবায়ন করছেন দিলরুবা তনু। ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছেন নিজের স্বপ্নের দিকে। বর্তমানে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন মিনিস্টার হাইটেক পার্ক লি. এবং মিনিস্টার হাইটেক ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে।

এতদূর আসার গল্প শোনার আগে আমরা শুনতে চাই তার জীবনের শুরুর গল্প। বলেন, ‘আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকায়। বাবা ওয়ালী উল্লাহ হাজরা প্রকৌশলী ছিলেন। তার অনুপ্রেরণাতেই আমি ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (ইউডা) থেকে বিএসসি ও এমএস করেছি। এখন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালে (বিইউপি) এম. ফিল করছি। পাশাপাশি ‘কাস্টমার বেজড ব্র্যান্ড ইকুইটি কেস স্টাডি অন মিনিস্টার হাইটেক পার্ক লি’ এই বিষয়ে গবেষণা করছি।’ মাঝে জীবনে পরিবর্তন হয়েছে। বিয়ে করেছেন আরেক উদ্যোক্তা ও সফল মানুষ এমএ রাজ্জক খান (রাজ)-কে। তিনি মিনিস্টার হাইটেক পার্ক লিমিটেড এবং মিনিস্টার হাইটেক ইলেকট্রনিকস লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নিজের দায়িত্ব নিয়ে বেশ সচেতন দিলরুবা তনু। আর সচেতন বলেই তার দক্ষ নেতৃত্বে মিনিস্টার ব্র্যান্ড ২০১৮ সালে আয়োজিত ঢাকা আন্তজার্তিক বাণিজ্য মেলায় প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। পাশাপাশি দুবাইতে অনুষ্ঠিত এশিয়ার বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যান্ড লিডার পুরস্কার পেয়েছে। একটা প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডকে সেরা করতে কম পরিশ্রম করতে হয় না! আছে নিজেকে দক্ষ করে তোলার জন্য পড়াশোনা ও গবেষণা। এই ফাঁকে কাজ করেন মানুষের জন্য। নিয়মিতভাবে সেবা করে যাচ্ছেন মানুষের জন্য। এটার বড় উদাহরণ দৈনিক ‘গড়ব বাংলাদেশ’-এর উপদেষ্টা ও সুস্বাস্থ্য বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের মহাসচিব হিসেবে তার দায়িত্ব পালন। এত কিছুর পিছনে বড় অনুপ্রেরণা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তনুর মুক্তিযোদ্ধা চাচা। এ ব্যাপারে দিলরুবা তনু বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এই চেষ্টাই আমাদের মতো নারী উদ্যোক্তাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা মানুষের জন্য আরও কাজ করতে চাই।’ কথা শেষ করার আগে আগে আগামীর স্বপ্ন সম্পর্কে জানালেন, একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক হয়ে কাজ করতে আগ্রহী। এছাড়াও ময়মনসিংহের ত্রিশালে মানুষের জীবনযাত্রা মানন্নোয়ন সহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান। এটাই তাঁর স্বপ্ন।