জগন্নাথপুরে বাগময়না-হলিকোনায় বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৯, ২০:৪৫

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাগময়না-হলিকোনা নামক স্থানে ফসলরক্ষা বেড়িবাঁধ নির্মাণের আওতায় আনা হয়নি। ফলে হুমকির মুখে পড়বে মইয়া ও নলুয়া হাওরের বোরো ফসল এমন আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। গতকাল রবিবার এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পানি উন্নয়ন ও স্থানীয় গণমাধ্যমে তিন গ্রামের কৃষকদের পক্ষে ওই বাঁধ দ্রুত নির্মাণ করার জন্য লিখিতভাবে আবেদন জানানো হয়েছে।

লিখিত আবেদনপত্র সূত্রে জানা যায়, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের নলুয়া হাওর পোল্ডার-২ রানীগঞ্জের বাগময়না-হলিকোনা রাস্তাটি প্রতিবছরই বেড়িবাঁধের আওতায় ফসলরক্ষা বাঁধ হিসেবে সংস্কার হয়ে আসছিল। গত বছরও ওই স্থানে ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ হয়েছে। ২০১৭ সালে এ বাঁধ ভেঙে হাওরের ফসল পানিতে তলিয়ে যায়। কুশিয়ারা নদীর তীর ঘেঁষা গুরুত্বপূর্ণ এই স্থান এবার পাউবো বাঁধের আওতায় নেই। ফলে ফসল হারানোর আশঙ্কায় ভুগছেন কৃষকরা। দ্রুত এ স্থানে বাঁধের সংস্কার কাজ করার জন্য রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাগময়না ও হলদিপুর ইউনিয়নের হলিকোনা গ্রামের কৃষকেরা আবেদন জানিয়েছেন। স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, গত বছরও এ স্থানে বেড়িবাঁধের কাজ হয়েছে। কিন্তু কেন যে, এবার গুরুত্বপূর্ণ এ বাঁধে কাজ হচ্ছে না। তা আমরা বুঝতে পারছি না। এই বাঁধটি মইয়া ও নলুয়া হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ। দ্রুত এখানে কাজ শুরু না হলে দুই হাওরের ফসল হুমকির মুখে পড়বে। 

বাগময়না গ্রামের বাসিন্দা সালেহ আহমদ বলেন, বাগময়না থেকে হলিকোনা রাস্তাটি নলুয়া পোল্ডার-২ এর ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ। প্রতিবছরই ফসলরক্ষা বাঁধ হিসেবে কাজ হয়ে আসছে। এবার গুরুত্বপূর্ণ এই বাঁধে পাউবো কাজ করছে না। এখানে কাজ না হলে হাওরের ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই আমরা বাঁধের কাজ করার জন্য আমাদের স্থানীয় সাংসদ পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের স্বাক্ষরিত সুপারিশের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুল আলম মাসুমের নিকট আবেদন জানানো হয়েছে।

জগন্নাথপুর উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয়ের দায়িত্বরত কর্মকর্তা হাসান গাজী বলেন, বাগময়না ভায়া হলিকোনা বাঁধের অবস্থা ভালো থাকায় এটি কাজের আওতায় আনা হয়নি। গত বছর এখানে বেড়িবাঁধের কাজ হয়নি বলে তিনি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুল আলম মাসুম বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আমরা দেখছি।