ক্যান্ডিতে বোলারদের দুর্দিন

আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০২১, ২৩:১১

ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামের উইকেটে বোলাররা যেন ‘সত্-ভাই’। দিনভর মাথা খুটে মরলেও সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করছে না ২২ গজ। তপ্ত রোদে পুড়ে বিরামহীন বোলিংয়ের বিপরীতে ব্যাটসম্যানদের দাপটে আত্মসমর্পণই যেন নিয়তি হয়ে গেছে। এবার সেই কর্মক্লান্ত পরীক্ষার সামনে পড়ছে বাংলাদেশের বোলাররা।  গতকাল সিরিজ    নির্ধারণী দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা রাজ্যের হতাশা উপহার দিয়েছেন তাসকিন-মিরাজদের। দিমুথ করুণারত্নে ও লাহিরু থিরিমান্নের জোড়া সেঞ্চুরিতে প্রথম দিন শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ১ উইকেটে ২৯১ রানে। দিনের একমাত্র প্রাপ্তি করুণারত্নের উইকেটটি নিয়েছেন বাংলাদেশের অভিষিক্ত পেসার শরীফুল ইসলাম। থিরিমান্নে ১৩১ ও ওশাদা ফার্নান্দো ৪০ রানে অপরাজিত আছেন।

যদিও দিনটা এমন নিষ্প্রাণ হওয়ার পেছনে বাংলাদেশের ফিল্ডারদের অবদানই বেশি। অতীতের মতোই ক্যাচ মিসের ভুল পুড়িয়েছে সফরকারীদের। দলীয় ৪৯ রানেই ফিরতে পারতেন লঙ্কান অধিনায়ক করুণারত্নে। তাসকিনের বলে স্লিপে তার ক্যাচ ফেলেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ২৮ রানে জীবন পাওয়া করুণারত্নে পরে ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরি করেছেন। থিরিমান্নের সঙ্গে তার জুটি ভেঙেছে ২০৯ রানে। যা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওপেনিংয়ে লঙ্কানদের সর্বোচ্চ রানের জুটি। পরে তৃতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন থিরিমান্নেও। টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে এক ইনিংসে প্রতিপক্ষের দুই ওপেনারের সেঞ্চুরির ঘটনা এটি সপ্তমবার।

চা বিরতির পর শরীফুলের বলে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন করুণারত্নে। তিনি ১১৮ রান করেন। দিনের বাকি সময়ে আর বিপদ হতে দেননি থিরিমান্নে ও ওশাদা ফার্নান্দো। ৮২ রানের জুটি গড়ে অবিচ্ছিন্ন রয়েছেন তারা। বাংলাদেশের ৯৭তম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হওয়া শরীফুল ৫২ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট।