বাংলাদেশের পুষ্টিহীনতা দূর করতে এবং নীতি-নির্ধারণে গবেষণা করবে বলে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের কর্মকর্তারা। গতকাল মঙ্গলবার সকালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহারের সাথে ফিল দ্যা নিউট্রিয়েন্ট গেপ (এফ এন জি) বিষয়ে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের দুই সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল মতবিনিময় সভা করেন। এ সময় প্রতিনিধি দল গবেষণা কর্ম সম্পাদনের আগ্রহের কথা জানান এবং মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা চান।
প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার ড. সাসকিয়া ডি পি এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের সিনিয়র প্রোগ্রাম এন্ড পলিসি অফিসার মাসিং নেওয়ার। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম লায়লা জেসমিন, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) জ্যোতি লাল কুরি এবং অতিরিক্ত সচিব মোঃ আব্দুল করিম প্রমুখ।
কামরুন নাহার বলেন, এ গবেষণা খুবই জরুরি। এ গবেষণার মাধ্যমে মন্ত্রণালয় নানাভাবে উপকৃত হবে। পরবর্তী নীতি-নির্ধারণে কাজে আসবে। তিনি এ গবেষণা কর্ম সম্পাদনে সব রকমের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। মতবিনিময় সভায় খর্বাকৃত মানুষ ও পুষ্টি বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়। সামর্থ্যের অভাবে ও অজ্ঞতার কারণে অনেক শিশু পুষ্টিহীনতায় ভোগে এর ফলে মানুষের সার্বিক উন্নয়ন এবং ভবিষ্যত্ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে মতামত দেন প্রতিনিধি দল। মতবিনিময় সময় সাসকিয়া ডি পি বলেন, পুষ্টির পেছনে এক ডলার বিনিয়োগ করলে ১৬ ডলারের সমপরিমাণ রিটার্ন আসে।
