রংপুরের আলোচিত সাবেক পিপি ও আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনা হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে তার স্ত্রী স্নিগ্ধা রাণী সরকার দীপাকে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১টায় রংপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এবিএম নিজামুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় স্নিগ্ধা রাণী সরকার ও মামলার বাদী রথীশ চন্দ্রের ছোট ভাই সুশান্ত ভৌমিক সুবল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার আগে আদালতের কাঠগড়ায় স্নিগ্ধাকে বিমর্ষ দেখা গেছে। সকাল দশটার দিকে তাকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে রংপুর জজ আদালতে কড়া পুলিশের নিরাপত্তায় নেওয়া হয়।
মামলায় পুলিশ তিনজনের নামে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র দাখিল করে। এ মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে একমাত্র জীবিত তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক স্নিগ্ধা সরকার দীপা। তার প্রেমিক একই স্কুলের শিক্ষক কামরুল ইসলাম গত বছরের ১০ নভেম্বর কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় আত্মহত্যার চেষ্টা করলে তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিত্সকরা। অন্য আসামি রথীশ চন্দ্রের ব্যক্তিগত সহকারী মিলন মোহন্ত কারাগারে অসুস্থ অবস্থায় মারা যান। বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলায় মোট ৩৭জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুল মালেক জানান, গত বছরের ২৯ মার্চ স্নিগ্ধা রাণী সরকার দীপা তার সহকর্মী প্রেমিক কামরুল ইসলামের পরিকল্পনায় দুধের সঙ্গে ১০টি ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে রথীশ চন্দ্রকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
