করোনাকালে অনেক কিছুর পরিবর্তন ঘটলেও, আয় তো বাড়েইনি বরং ব্যয় বেড়েই চলেছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, করোনার পূর্ববর্তী থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত একজন গার্মেন্টস-কর্মীর মাসিক আয় সব মিলিয়ে ১২ থেকে ১৪ হাজার টাকা। একজন দিনমজুরের দৈনিক ৩৫০-৪০০ টাকা হারে মাসিক আয় ১০-১২ হাজার টাকা। এরকমভাবে প্রায় অধিকাংশ শ্রেণি-পেশার মানুষের আয় একই রয়ে গেছে। অন্যদিকে ব্যয়ের চিত্রটা উলটো। দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত বৃদ্ধির কারণে মানুষের ব্যয় বেড়েই চলেছে। করোনার আগে অর্থাত্ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এক কেজি মাঝারি ধরনের চাল বিক্রি হয়েছিল ৪৪ টাকা থেকে ৫০ টাকায়। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকা থেকে ৫৮ টাকায়। এক বছরের ব্যবধানে মাঝারি ধরনের চালের দাম বেড়েছে ১৭.০২ শতাংশ। এভাবে বোতলজাত সয়াবিন তেল (৫ লিটার) বিক্রি হয়েছিল ৪৭০ থেকে ৫২০ টাকায়। এ বছর বিক্রি হচ্ছে ৫৭০ থেকে ৬৩০ টাকায়। এক বছরের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ২০.২০ শতাংশ। এরকমভাবে প্রায় সব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েই চলেছে। এই আলোচনা থেকে বোঝা যায়, বর্তমানে আয়-ব্যয়ের পার্থক্য। পরিশেষে, সরকারের কাছে বিনীত আবেদন—আয়-ব্যয়ের বৈষম্য ঘোচাতে যথাযথ পদক্ষেপ নিন।
মো. জাহিদুল ইসলাম
শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ
