রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্য ব্যতিত শান্তি ও সমৃদ্ধি স্থায়ী রূপ পেতে পারে না। গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা, আইনের শাসন ও অব্যাহত আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মতো মৌলিক প্রশ্নে সব রাজনৈতিক দল, শ্রেণি ও পেশা নির্বিশেষে সবার ঐকমত্য গড়ে তোলার সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। গতকাল বুধবার একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে সংবিধান অনুযায়ী দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি এই আহ্বান জানান। প্রতিবারের মতো এবারও রাষ্ট্রপতি তার ভাষণের সংক্ষিপ্তসার সংসদে পড়ে শোনান।
আবদুল হামিদ বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতীয় জীবনে নতুন প্রাণ সঞ্চারিত হয়েছে। শান্তি, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির যে পথে আমরা হেঁটেছি, সে পথেই বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সম্মানে বৈঠকে ৩০ মিনিট বিরতির পর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী রাষ্ট্রপতির আগমনের ঘোষণা দিলে সশস্ত্র বাহিনীর একটি বাদক দল বিউগলে ‘ফ্যানফেয়ার’ বাজিয়ে রাষ্ট্রপতিকে সম্ভাষণ জানান। সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতির প্রবেশের পর নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। সংসদে রাষ্ট্রপতির জন্য স্পিকারের ডানপাশে লাল রঙের গদি সম্বলিত চেয়ার রাখা হয়। স্পিকারের অনুরোধের পর রাষ্ট্রপতি তার লিখিত ভাষণের সংক্ষিপ্তসার পড়া শুরু করেন। এসময় তার মূল বক্তব্য পঠিত বলে গণ্য করার জন্য স্পিকার শিরীন শারমিনকে অনুরোধ জানান আবদুল হামিদ।
