বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত কিশোয়ার, মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ায় এবারে রাঁধলেন মাছের ঝোল। যা বিচারকদের মন জয় করেছে ব্যাপকভাবে।
মাছপ্রিয় বাঙালির কাছে মাছ অনেক বেশি পছন্দের। আর বাঙালি মানেই মাঝের ঝোল। বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে বসে যদি বাঙালিদের খাবার নিয়ে কথা হয় তাহলে তাতে মাছের ঝোল থাকবে একদম প্রথম সারিতে। তাই হয়তো নিজের দেশের গণ্ডি পেরিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় মাছের ঝোলের প্রতি এই ভালবাসা অন্য স্তরে নিয়ে গেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত কিশোয়ার চৌধুরি। অস্ট্রেলিয়ায় মাছের ঝোল রেঁধে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়া’র বিচারকদের।
বিখ্যাত একটা কথা আছে বাঙালিদের নিয়ে, মাছে-ভাতে বাঙালি। তাই ভাত, ডাল, তরকারি যাই থাক না কেনো, বাঙালির ভাতের সাথে মাছের যে কোনো তরকারি না থাকলে খাওয়াই সম্পূর্ণ হয় না। বিভিন্ন মাছ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন রান্না ইতোমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে দেশ থেকে দেশান্তরে। তার মধ্যে মাছের ঝোল অন্যতম বাঙালি মেন্যু।
বিশ্বের রান্নাবিষয়ক অন্যতম জনপ্রিয় টেলিভিশন রিয়েলিটি শো মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার ত্রয়োদশ আসরের মূল পর্ব শুরু হয় ২০ এপ্রিল। নর্দার্ন টেরিটরিতে চলছে এই প্রতিযোগিতা। বাছাইপর্ব পেরিয়ে ২৪ জন অংশ নিয়েছিলো অনুষ্ঠানটির চূড়ান্ত পর্বে। সেখানেই ছিলেন ৩৮ বছর বয়সী বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত কিশোয়ার চৌধুরী। বাছাইপর্বে কিশোয়ার চৌধুরী রান্না করেন বাংলাদেশি পদ। সেই রান্নার ঝলক দেখানো হয়েছে প্রথম পর্বে। মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা প্রতিদ্বন্দ্বীদের তালিকায় সপ্তম স্থানে ছিলেন কিশোয়ার।
![]()
বিশ্বের রান্নাবিষয়ক টেলিভিশন রিয়েলিটি শোর মধ্যে মাস্টারশেফ অন্যতম। বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশ তাদের নিজস্ব মাস্টারশেফ আয়োজন করে থাকে। তবে জনপ্রিয়তার দিক থেকে মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়া রয়েছে তালিকার শীর্ষে। অনুষ্ঠানটির বাছাইপর্বে কিশোয়ারের পরিবেশনা এরই মধ্যে দর্শক, অন্যান্য প্রতিযোগী ও বিচারকদের কাছে আলোচিত এবং সমাদৃত হয়েছে ব্যাপক ভাবে।
ইত্তেফাক/এনএসএন
