করোনামুক্ত হওয়ার ২০ দিন পর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থার অবনতি ঘটেছে। হঠাত্ করেই জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিত্সাধীন বেগম জিয়া বৃহস্পতিবার রাত থেকে জ্বরের কারণে স্বাভাবিক খাবার খেতে পারছেন না।
১০ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড এই নতুন উপসর্গ কেন দেখা দিল—তা নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করে। বোর্ডের এক জন চিকিত্সক গতকাল ইত্তেফাককে জানান, খালেদা জিয়া প্রায় এক মাস ধরে সিসিইউতে। তার অবস্থা ভালো বলার অবকাশ নেই। গত বুধবার তার ফুসফুস থেকে পানি অপসারণের পাইপ খুলে ফেলার পর তার অবস্থার উন্নতি হয়নি। অস্বস্তিবোধ করছেন। হঠাত্ তার জ্বর এসেছে। আরো কিছু উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। করোনামুক্ত হওয়ার এতোদিন পর জ্বর হওয়াটা ভালো লক্ষণ নয়।
এদিকে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, বৃহস্পতিবার রাত থেকে ওনার জ্বর দেখা দিয়েছে। যেটা চিকিত্সকরা ইনভেস্টিগেট করছেন, চিকিত্সা দিচ্ছেন। জ্বর সারানোর জন্য চিকিত্সা দেওয়া হচ্ছে।
করোনা আক্রান্ত হওয়ার ২৭ দিন পর গত ৮ মে তিনি এ ভাইরাস থেকে মুক্ত হন। মোট তিনবার খালেদা জিয়ার করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করা হয়। খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিত্সক ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, মেডিক্যাল বোর্ড পরীক্ষানিরীক্ষা শেষে যে চিকিত্সা দিয়েছিল সেটি অব্যাহত আছে। তার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।
এভারকেয়ার হাসপাতালের হূদেরাগ বিশেষজ্ঞ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে ১০ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ডের অধীনে তিনি চিকিত্সাধীন আছেন।
