স্পোর্টস রিপোর্টার
২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের কোয়ালিফিকেশন টুর্নামেন্ট ওডিআই সুপার লিগের শীর্ষে অবস্থান করছেন বাংলাদেশ। ৯ ম্যাচে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৫০। গত শুক্রবার সিরিজের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ১০টি পয়েন্ট হারিয়েছে বাংলাদেশ। তারুণ্যনির্ভর শ্রীলঙ্কার কাছে ৯৭ রানে হেরে সিরিজ শেষ করেছে তামিম ইকবালের দল। দেশের মাটিতে লঙ্কার এমন দলের কাছে পয়েন্ট হারানোর ধাক্কা কত বড় হয়ে ধরা দিতে পারে তা অনুভব করতে পারছেন ওয়ানডে অধিনায়ক।
ম্যাচ হেরে তাই আক্ষেপে পুড়ছেন তামিম। শুক্রবার ম্যাচ শেষে তিনি বলেছেন, ‘এটা ওয়ানডে সুপার লিগ, দ্বিপাক্ষিক সিরিজের মতো নয় যে দুই ম্যাচে সিরিজ জিতে গেলে অর্জনের কিছু আর নেই। এই ১০ পয়েন্ট ভবিষ্যতে আমাদের কষ্ট দিতেও পারে, কে জানে! সুযোগটা যখন আমাদের ছিল, পুরোটা শেষ করা উচিত ছিল।’
ওডিআই সুপার লিগে তিনটি সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। আরো বাকি আছে পাঁচটি সিরিজ। যার মধ্যে দেশের বাইরে তিনটি। দেশের মাটিতে শুধু ইংল্যান্ড, আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবে টাইগাররা। জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা, আয়ারল্যান্ড সফরে থাকছে বাকি তিন সিরিজ। টানা দুই ম্যাচ জিতে সিরিজটা নিজেদের করে নিলেও বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেনি বলে স্বীকার করেছেন তামিম। প্রথম ম্যাচে ২৫৭ রান করেছিল স্বাগতিকরা। জয় এসেছিল ৩৩ রানে। দ্বিতীয় ম্যাচে মুশফিকের সেঞ্চুরিতে ডিএল মেথডে ১০৩ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে মাহমুদউল্লাহদের ক্যাচ মিসের ভুলে কুশল পেরেরা সেঞ্চুরিতে বড় স্কোর গড়ে শ্রীলঙ্কা। পরে দুশমন্থ চামিরার আগুন ঝরা ফাস্ট বোলিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন।
সিরিজের মূল্যায়নে তামিম বলেছেন, ‘প্রথম থেকেই বলছি, আমরা সিরিজ জিতেছি। কিন্তু মনে হয়নি যে খুব ভালো খেলেছি। সিরিজ জুড়ে আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারিনি আমরা। সৌভাগ্যবশত আমরা সিরিজ জিতেছি। সিরিজ জয়ের পর বলতে পারি, অনেক জায়গা আছে, যেগুলো নিয়ে আমাদের গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে।’
সিরিজ জুড়েই বাংলাদেশের টপঅর্ডারে তরুণরা ব্যর্থ। লিটন দাস, নাঈম শেখদের ব্যাটে রান দেখা যায়নি। তারপরও তরুণরা পাশে পাচ্ছেন অধিনায়ককে। এখনই তরুণদের সমালোচনায় মুখর হতে চান না তামিম। তিনি বলেছেন, ‘আমি এমন একজন যে, তরুণদের ওপর বিশ্বাস রেখে যাব। আমি এমন নই যে, তাদের দিকে আঙুল তুলব। জানি, কতটা কষ্ট তারা করে। তারা পারফরম করা শুরু করলেই আমরা আরো অনেক ভালো দল হয়ে উঠব। কেউ ভালো না করলে সমালোচনা করা খুব সহজ। আমি এমন নই যে, নিজের ক্রিকেটারদের সমালোচনা করব।’
সেরা
পাঁচ
ব্যাটসম্যান
নাম ম্যাচ রান
মুশফিকুর রহিম ৩ ২৩৭
কুশল পেরেরা ৩ ১৬৪
মাহমুদউল্লাহ ৩ ১৪৮
হাসারাঙ্গা ৩ ৯৮
গুণাথিলাকা ৩ ৮৪
সেরা
পাঁচ
বোলার
নাম ম্যাচ উইকেট
দুশমন্থ চামিরা ৩ ৯
মেহেদী হাসান মিরাজ ৩ ৭
মুস্তাফিজুর রহমান ৩ ৬
সান্দাকান ২ ৪
তাসকিন আহমেদ ৩ ৪
