বাজেটে স্থানীয় পর্যায়ে উত্পাদিত স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর প্রযোজ্য ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। পাশাপাশি স্যানিটারি ন্যাপকিন ও ডায়াপার উত্পাদনের কয়েকটি কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা দুই বছরের জন্য বাড়ানো হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী। সংসদে অর্থমন্ত্রী বলেন, নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ে স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব করছি।
জানা যায়, দেশে উত্পাদিত ৯০ টাকার একটি প্যাকেটে সাড়ে ১২ টাকা শুল্ককর হিসেবে সরকারের কোষাগারে যায়। এর মধ্যে ১০ টাকা ভ্যাট, বাকিটা অন্যান্য কর। ২০০ টাকা খুচরামূল্যের এক প্যাকেট ন্যাপকিনে ২২ টাকা ভ্যাট ও ৫ টাকা কর আসে। প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর ভ্যাট অব্যাহতির কথা জানালেন।
স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আরোপ করা নিয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বেশ হইচই হয়েছিল। যদিও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে পরে জানানো হয়েছিল, স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর ভ্যাট আরোপ করা হয়নি।
