কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লায় শিশু নাবিলাকে ধর্ষণ ও হত্যার পরদিন তার জানাজায় অংশ নিয়েছিল ঘাতক তুষার। কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) চাঞ্চল্যকর ওই মামলার রহস্য উদঘাটনের পর ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে আদালতে এমনই তথ্য দিয়েছে গ্রেফতার মেহেরাজ হোসেন তুষার। বৃহস্পতিবার বিকালে কুমিল্লার আমলী আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইরফানুল হকের আদালতে ঘটনার সাথে সে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ডিবির ওসি নাসির উদ্দিন মৃধা।
ডিবির ওসি নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের আবুল কালামের মেয়ে নাবিলা আক্তারকে (৪) একই এলাকার ডা. আলী আশ্রাফের ছেলে মেহেরাজ হোসেন তুষার (২০) একটি নির্মাণাধীন ভবনে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় সে চিত্কার শুরু করলে তাকে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যার পর ওই ভবনের একটি রুমে সিমেন্টের বস্তার নিচে গুম করা হয়। পরদিন স্থানীয়রা সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে। তিনি আরো জানান, মামলা ডিবিতে আসায় ডিবির একটি টিম এলাকায় তদন্ত শুরু করে। তদন্তে ঘাতক তুষারের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়ে বুধবার বিকালে তাকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির করার পর সে ওই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা ও হত্যার পর লাশ গুম, শোকাহত স্বজনদের সাথে গিয়ে লাশ উদ্ধার ও জানাজায় অংশ নেয়ার বিষয়ে চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি দিয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির এসআই সহিদার রহমান জানান, স্থানীয়ভাবে তদন্ত ও আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নিশ্চিত হয়েছি ওই শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার একমাত্র আসামি তুষার। শীঘ্রই আদালতে এ মামলার চার্জশিট দেয়া হবে।
