শব্দের চেয়ে দ্রুতগতির সুপারসনিক যাত্রীবাহী বিমান চালু করতে চায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান সংস্থা ইউনাইটেড। ২০২৯ সালের মধ্যে যাত্রী পরিবহনে এ বিমান নামাবে তারা। এ জন্য তারা ১৫টি নতুন বিমান কেনার পরিকল্পনাও নিয়েছে। এমন বিমান তৈরি করবে ডেনভারভিত্তিক কোম্পানি বুম। তাদের তৈরি করা নতুন এমন সুপারসনিক বিমানের নাম দেয়া হবে ‘ওভারচার’। এর গতি হবে ঘন্টায় হাজার কিলোমিটারের বেশি।
এর আগে সুপারসনিক গতির বিমানের ফ্লাইট পরিচালনা করেছিল এয়ার ফ্রান্স এবং ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ। এক্ষেত্রে তারা ব্যবহার করেছে কনকর্ড বিমান। কিন্তু ২০০৩ সালে ওই বিমানটিকে বসিয়ে রেখে এ যাত্রা ভঙ্গ করা হয়। তারপর আর এ ধরনের কোনো যাত্রীবাহী বিমান আকাশে ওড়েনি। এরপর এমন পরিকল্পনা নিয়েছে ইউনাইটেড।
সুপারসনিক গতির বিমান শব্দের গতির চেয়েও দ্রুত ভ্রমণ করে। শব্দের গতিতে এটি ৬০ হাজার ফুট বা ১৮ হাজার ৩০০ মিটার উচ্চতা দিয়ে উড়ে যায়। সুপারসনিক বিমানের গতি প্রতি ঘন্টায় ৬৬০ মাইলেরও (১০৬২ কিমি) বেশি। পক্ষান্তরে একটি সাধারণ বিমান ঘন্টায় অতিক্রম করে ৫৬০ মাইল (৯০০ কিমি)। তবে ওভারচারের গতি ঘন্টায় ১১২২ মাইল বা ১৮০৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই গতিতে লন্ডন থেকে আটলান্টিকের ওপর দিয়ে নিউইর্য়ক যেতে বর্তমানে যে সময় লাগে তার চেয়ে অর্ধেক সময় লাগবে। কিন্তু সুপরিসনিক বিমানের প্রধান সমস্যা শব্দ আর দূষণ। এর গতি এবং শব্দের কারণে গমগম শব্দ হয়। ফলে যাত্রীদের বিরক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। - বিবিসি
