প্রতিটি ওয়ার্ডে

আপডেট : ০৬ জুন ২০২১, ০০:১৫

পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা জরুরি। পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে তরুণ প্রজন্মকে যত বেশি যুক্ত করা যাবে আন্দোলন ততই শক্তিশালী হবে। প্রতি ওয়ার্ডে স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে গাছ সংরক্ষণ কমিটি করতে হবে। নতুন প্রজন্মের সকলের সমবেত এবং শক্তিশালী প্রচেষ্টাই পারে প্রতিবেশকে অক্ষুণ্ন এবং সমৃদ্ধ রেখে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে।

গতকাল শনিবার সকালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে ‘তরুণ প্রজন্মের হাতেই প্রকৃতি ও পরিবেশের ভবিষ্যত্’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) অনলাইনে পরিবেশকর্মী ও তরুণদের অংশগ্রহণে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। এ বছর দিবসের স্লোগান ছিল—‘প্রকৃতি সংরক্ষণ করি, প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করি।’ 

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তরুণদের সচেষ্ট হতে হবে। সম্পদ আহরণের লোভে প্রকৃতিকে ধ্বংস করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণের বিভিন্ন উদ্যোগে তরুণরা এগিয়ে আসছে—এটা আশা জাগানিয়া খবর।

সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও পবার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সোবহান বলেন, জীবন ও জীবিকার জন্য প্রকৃতি ও প্রতিবেশ সুরক্ষায় আমাদের প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ এবং সর্বস্তরের জনগণের বিশেষ করে যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ।

বানিপার সাধারণ সম্পাদক এম এ ওয়াহেদ রাসেল বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় গাছের তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ কমিটি করে গাছ রক্ষা করা যেতে পারে। আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, প্লাস্টিক পণ্য পরিহার, পায়ে হাঁটাসহ বাইসাইকেল চালানো ইত্যাদি পরিবেশবান্ধব কাজে প্রণোদনা দিয়ে হলেও তরুণদের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে গ্রিন ফোর্সের সমন্বয়ক মেসবাহ সুমনের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবু নাসের খান। আরো বক্তব্য রাখেন, পরিবেশ বার্তার সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল, বিজিএমইএ-এর হেড অব সাসটেইনেবিলিটি জয়েন্ট সেক্রেটারি মনোয়ার হোসেন, পবার সম্পাদক ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদের সভাপতি আবু সাদাত মো. সায়েম প্রমুখ।